খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
সরকারি তিতুমীর কলেজে তুচ্ছ ঘটনা থেকে শুরু হয়ে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে রূপ নেয় সহিংসতায়।
এতে দুই দফায় একাধিক শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরকারি তিতুমীর কলেজে তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই দফায় একাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি শুরু হয় কলেজের অর্থনীতি বিভাগের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটি থেকে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জলিল আদিক এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নয়ন মিয়া। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ মোল্লার অনুসারীরা।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে সংঘবদ্ধভাবে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল এ হামলা চালায়। এর আগে গতকাল সোমবার (২৮ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এক শিক্ষার্থীকে চা খাওয়ানোর নাম করে ডেকে নিয়ে প্রথম দফা মারধরের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন সাঈদ জানান, বিভাগের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে তুচ্ছ বিষয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে তাঁকে ও তাঁর সহপাঠীদের ওপর প্রথম দফায় হামলা চালায় ছাত্রদল নেতা আরিফ মোল্লার অনুসারীরা। এ সময় কামরুল, পারভেজ, রাফসান, জুবায়েরসহ অন্তত ১০-১৫ জন অংশ নেয়। পরে কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসাইন এসে বিষয়টি মীমাংসা করেন।
তবে আজ সকালে আবারও হামলার শিকার হন তাঁরা। সাব্বির বলেন, “দ্বিতীয় দফায় জলিল আদিক এসে বলে, ‘তুই কে? তোকে আগে মারব, তারপর কথা বলব।’ এরপর সে ইট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে। তারা আমাদের সবাইকে বেধড়ক মারধর করে, আমরা ৭-৮ জন ছিলাম—কারো রেহাই মেলেনি।”
ঘটনার সময় কলেজ গেটের সামনে থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী জানান, “সকালবেলা আরিফ মোল্লার অনুসারীরা কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে মারধর করে। অনেকে ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেছে।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা জলিল আদিক বলেন, “একটা ঝামেলা হয়েছিল। আমি দুই পক্ষকে বুঝিয়ে পাঠানোর পরেও তারা একটা ইট ছুড়ে মারে আমার এক ছোট ভাইয়ের দিকে, তার মাথা ফেটে যায়। পরে আমি একজনকে থাপ্পড় দিয়ে সরিয়ে দিই। জুনিয়র ছিল, দুই-একটা থাপ্পড় দিতেই পারি।”
খবরওয়ালা/আশ