শুক্রবার, ১ই মে ২০২৬, ১৮শে বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ই মে ২০২৬, ১৮শে বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নাগেশ্বরীতে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের প্রাণহানি টানা বৃষ্টিতে দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াল, পাঁচ জেলায় বন্যা সতর্কতা সুবর্ণচরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বজ্রপাত নয়, আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন যাত্রী সেজে কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ ইরান চাইলে আলোচনা করতে পারে: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা শাহবাগে সাংবাদিক আহত ঘটনায় তদন্তে ছাত্রদল কমিটি বগুড়ায় বিএনপি নেত্রীর প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে কলেজছাত্রী আটক হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করাতে ওমান উপকূলে জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলা

সর্বশেষ

দেশে আবাদি জমির মাটিতে পুষ্টি উপাদান কমেছে

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪

দেশে আবাদি জমির মাটিতে পুষ্টি উপাদান কমেছে

খবরওয়ালা ডেস্ক ॥ ফসফরাস, নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, সালফার, বোরন কিংবা জিংক—এগুলো সবই মাটির গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। ফসলের গুণগত মান মূলত এসব উপাদানের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) গবেষণা বলছে, এক দশকের ব্যবধানে দেশের আবাদি জমিতে গুরুত্বপূর্ণ এসব পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। সয়েল ফার্টিলিটি ট্রেন্ডস ইন বাংলাদেশ ২০১০ টু ২০২০’ শীর্ষক গবেষণায় মাটিতে ফসফরাস, সালফার, পটাশিয়াম, বোরন ও জিংকের পরিমাণ দেখা হয়। এক্ষেত্রে ২০১০ সালের সঙ্গে ২০২০ সালের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করেন গবেষকরা। তাতে দেখা যায়, গত ১০ বছরে মাটিতে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতিযুক্ত এলাকা অস্বাভাবিক বেড়েছে।  গবেষণায় মাটির পুষ্টি উপাদানগুলোকে চার শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো অতিনিম্ন থেকে নিম্ন, মধ্যম, পরিমিত এবং উচ্চ থেকে অতিউচ্চ। এক্ষেত্রে অতিনিম্ন থেকে নিম্ন এবং মধ্যম স্তর হচ্ছে ঘাটতিযুক্ত এলাকা। মাটির পুষ্টি উপাদানগুলোর অন্যতম ফসফরাস। বীজের অঙ্কুরোদ্গম থেকে শুরু করে এর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে উপাদানটি। ২০১০ সালে দেশে মোট আবাদি জমির ৩৮ দশমিক ৬০ শতাংশে ফসফরাসের অবস্থা ছিল অতিনিম্ন থেকে নিম্ন। ২০২০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ দশমিক ২৭ শতাংশে। এছাড়া ২০১০ সালে ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ মধ্যম, ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ পরিমিত এবং ২৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ মাটিতে ফসফরাস উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে ছিল। তবে ২০২০ সালে মধ্যম স্তরে ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ, পরিমিত স্তরে ১২ দশমিক ৩৮ এবং উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে ফসফরাস ছিল ১৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের সহায়তা করে সালফার। এ উপাদানের ঘাটতি হলে ফসল পরিপক্ব হতে বেশি সময় লাগে, মানও কমে যায়। গাছের উচ্চতাও স্বাভাবিক গতিতে বাড়ে না। ২০১০ সালে দেশে মোট আবাদি জমির ৩৪ দশমিক ৪৫ শতাংশে সালফারের অবস্থা ছিল অতিনিম্ন থেকে নিম্ন। এ সময় ১৮ দশমিক ৬৫ শতাংশে মধ্যম, ১১ দশমিক ৩৯ পরিমিত এবং ৩৫ দশমিক ৫১ জমিতে উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে সালফার ছিল। তবে ২০২০ সালে সালফারের অবস্থা অতিনিম্ন থেকে নিম্ন স্তর ছিল ৪৬ দশমিক ৪১ শতাংশ জমিতে। মধ্যম স্তরে ছিল ২০ দশমিক ৯৬ শতাংশ, পরিমিত স্তরে ১৫ দশমিক ২১ এবং উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে সালফার ছিল ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ জমিতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটির পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করা হয়। ফলে চাষের খরচ যেমন বাড়ছে, আবার পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। নাইট্রোজেন যদি ভূগর্ভস্থ পানিতে মিশে যায়, তাহলে তা মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শিশুদের মৃত্যুঝুঁকিও থাকে। আবার ফসফরাস বেশি দেয়া হলে তা বৃষ্টির পানিতে বা বন্যায় খালের পানিতে মিশে যায়। ফলে প্রায়ই মাছ মারা যেতে দেখা যায়। বোরন শিশুদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। ফলে কৃষককে পরিমিত সার ব্যবহারে সচেতন করতে হবে। পটাশিয়াম ফসলের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ২০১০ সালে ২৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ আবাদি জমিতে পটাশিয়ামের অবস্থা ছিল অতিনিম্ন থেকে নিম্ন স্তরে। ২০২০ সালে তা এমন জমির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ দশমিক ২৩ শতাংশে। ২০১০ সালে ২২ দশমিক ১১ শতাংশ মাটিতে মধ্যম, ২০ দশমিক ২৭ শতাংশে পরিমিত এবং ২৯ দশমিক ২৯ শতাংশ জমিতে উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে পটাশিয়াম ছিল। ২০২০ সালে এসে মধ্যম স্তরে ৩০ দশমিক ৮৭ শতাংশ, পরিমিত স্তরে ১৩ দশমিক ৩৬ এবং উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরের জমিতে পটাশিয়াম ছিল ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর গঠন এবং স্থিতিশীলতা রক্ষায় ভূমিকা রাখে বোরন। ২০১০ সালে দেশে মোট আবাদি জমির ২৫ দশমিক ৯৯ শতাংশে বোরনের অবস্থা ছিল অতিনিম্ন থেকে নিম্ন পর্যায়ের। ওই সময় ২০ দশমিক ৯ শতাংশ জমিতে মধ্যম, ১৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে পরিমিত এবং ৩৭ দশমিক শূন্য ৪ জমিতে উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে বোরন ছিল। তবে ২০২০ সালে বোরনের অবস্থা অতিনিম্ন থেকে নিম্ন স্তরে ছিল ৩০ দশমিক ৭৮ শতাংশ জমিতে। মধ্যম স্তরে ছিল ২৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ জমিতে, পরিমিত স্তরে ছিল ১৫ দশমিক ৯ এবং উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে ছিল ২৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ জমিতে। মৃত্তিকা বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাটির এসব পুষ্টি উপাদানের মধ্যে কোনোটির পরিমাণ কম হলে ফসলের উৎপাদন কমে যাবে। অর্থাৎ সব উপাদানই পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকতে হবে। এসব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দূর করতে সার ব্যবহার করা হয়। তবে এতে ফলনের গুণগত মানে প্রভাব পড়ে; স্বাদেও পরিবর্তন ঘটে। ১০ বছরের ব্যবধানে সবচেয়ে বেশি কমেছে জিংকের পরিমাণ। ২০১০ সালে আবাদি জমির ২৮ দশমিক ৭১ শতাংশে জিংকের অবস্থা ছিল অতিনিম্ন থেকে নিম্ন স্তরে। ২০২০ সালে এমন জমির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৭৮ দশমিক ৮৪ শতাংশে। এছাড়া ২০১০ সালে জিংকের অবস্থা ১৮ দশমিক ৯৯ শতাংশে মধ্যম, ১৪ দশমিক ৬৭ শতাংশে পরিমিত এবং ৩৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ উচ্চ থেকে অতিউচ্চ স্তরে ছিল। ২০২০ সালে মাটিতে জিংকের অবস্থা ছিল মধ্যম স্তরে ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ জমিতে, পরিমিত স্তরে ৪ দশমিক ৬৫ এবং উচ্চ থেকে অতি উচ্চ স্তরে ছিল ৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ। গবেষক দলের সদস্য ও এসআরডিআইয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘ঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারলে মাটির স্বাস্থ্য কিছুটা ধরে রাখা সম্ভব। বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে। এ কারণে মাটিতে পুষ্টি উপাদান কম থাকলেও ফসল উৎপাদন ভালো হচ্ছে। তবে সেটা বেশি দিন সম্ভব নয়। মাটির পুষ্টি উপাদান ঠিক রাখতে এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এসআরডিআইয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমীর মো. জাহিদ বলেন, ‘মাটির পুষ্টি উপাদানের প্রত্যেকটিই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কোনোটির পরিমাণ কম-বেশি হলে মোট উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে।’ তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে মাটির উর্বরতা কমছে। একই জমিতে বছরে তিনটি ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি উচ্চফলনশীল জাত চাষাবাদ করা হচ্ছে। ফলনও বেশি হচ্ছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মাটিতে আগের মতো জৈব পদার্থ যোগ হচ্ছে না। আগে গরুর গোবর বেশির ভাগ জমিতে ফেলা হতো। কিন্তু এখন সেটা হচ্ছে কম। আগে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত গাছের পাতা, ছোট ছোট ডালপালা ইত্যাদি জমিতে পড়ে পচন প্রক্রিয়ায় উর্বরতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখত। এখন এসব কুড়িয়ে নিয়ে জ্বালানির জন্য ব্যবহার হচ্ছে। আবার জমিতে ওপরের স্তরের মাটি বা টপসয়েল কেটে অনেকে ঘরবাড়ি, মাছের খামার বা পুকুরের ঘের তৈরি করছে। মাটির টপসয়েল সবচেয়ে বেশি উর্বর। কিন্তু জমি থেকে যখন টপসয়েল কাটা হয় তখন এর উর্বরতা কমে যায়। আমীর মো. জাহিদ বলেন, ‘মাটির গুণগত মান পরীক্ষা করে সুষম সার প্রয়োগের মাধ্যমে পুষ্টির ক্ষয় রোধ সম্ভব। জৈবসার প্রয়োগের মাধ্যমে মাটিতে জৈব পদার্থ যুক্ত করতে হবে। গাছ বা ফসলের অবশিষ্টাংশ মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। মাটির উর্বরতা না বাড়াতে পারলে ভবিষ্যতে জমিগুলো অকেজো হয়ে পড়বে।