খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 12শে ভাদ্র ১৪৩২ | ২৭ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) রিটেক পদ্ধতি, বর্ষ উন্নয়ন ও পরীক্ষার ফলাফল সমস্যা সমাধানে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের একজন শিক্ষার্থী কোনো কোর্সের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে একবারই রিটেক পরীক্ষার সুযোগ পাবেন। একবার অকৃতকার্য হলে প্রতি কোর্সে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে স্পেশাল রিটেক দিতে হবে। স্পেশাল রিটেকে অকৃতকার্য হলে বর্ষ উন্নয়নের সুযোগও থাকবে না। অন্য ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একাধিকবার রিটেক পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন, কিন্তু ২০২২-২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নম্বর বন্টন ও জিপিএ কর্তনেও ভিন্ন ব্যবস্থা প্রযোজ্য। এর ফলে অনুপস্থিতি বা অন্যান্য কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেজাল্ট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন— রিটেক সমস্যার স্থায়ী সমাধান, বর্ষ উন্নয়নের সঠিক নীতিমালা প্রকাশ এবং প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে ক্ষতির দায় বিশ্ববিদ্যালয়কে নিতে হবে।
ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মাশফি চৌধুরী অরিন বলেন, “আমরা প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছি, কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আমাদের মূল্যবান সময়, ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।”
শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন— আমাদের সমস্যা কি এত তুচ্ছ? প্রশাসনের উপর আস্থা রাখা কি ভুল ছিল? সুষ্ঠু আলোচনার পরও সমাধান না পাওয়া কেন?
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা স্ব স্ব বিভাগের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে বিষয়টি ডিন ও একাডেমিক কাউন্সিলে উত্থাপন করবেন। একাডেমিক কাউন্সিলে এটি সমাধান করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
খবরওয়ালা/আশ