আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নিরাপত্তার কারণে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি, সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র) চেয়ারম্যান পুষ্পকমল দাহাল, সিপিএন (একীভূত সমাজবাদী) চেয়ারম্যান মাধবকুমার নেপালসহ একাধিক মন্ত্রীকে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শিবপুরীতে রাখা হয়েছে।
একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ মান সিং, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু পৌডেল, দাহাল, নেপাল এবং অন্য মন্ত্রীদের শিবপুরীর আর্মি কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ‘জেনারেশন জেড’ তরুণদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে অলি নিজেই এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি চিঠিতে লেখেন যে তিনি বর্তমানে শিবপুরীর একটি শান্ত ও সুরক্ষিত স্থানে অবস্থান করছেন।
নেপালের সংবাদমাধ্যম সেতুপতির সূত্র অনুযায়ী, মন্ত্রীদের হেলিকপ্টারে করে ভৈনসেপাটির সরকারি বাসভবন থেকে নিয়ে যাওয়া হয়, আর দাহাল ও নেপালকে সরিয়ে নেওয়া হয় সিংহ দরবার থেকে।
গতকাল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দাহাল সিংহ দরবারে বিরোধী দলের একটি সভা ডেকেছিলেন, যেখানে নেপালও উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় দাহালের বাসায় বিক্ষোভকারীরা আগুন দিয়েছে এমন খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী দ্রুত উভয় নেতাকে শিবপুরীতে সরিয়ে নেয়।
কিছুক্ষণের মধ্যেই সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। নেপালের সাংবাদিকদের সংগঠন ‘প্রেস চৌতরী’র চেয়ারম্যান গণেশ পাণ্ডে সামাজিক মাধ্যমে সেই বিবৃতিটি পোস্ট করেন এবং দাবি করেন এটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলির লেখা। চিঠিতে অলি ‘প্রিয় জেন-জি সন্তানেরা’ সম্বোধন করে নিজের অবস্থান শিবপুরীতে বলে জানান।
গতকাল বেলা ২টায় প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন কে পি শর্মা অলি। এরপরই সেনাবাহিনী তাকে বালুওয়াটার থেকে হেলিকপ্টারে করে একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। একইভাবে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতাদেরও সেনাবাহিনী নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে।
খবরওয়ালা/টিএসএন