খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 29শে ভাদ্র ১৪৩২ | ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বিদেশি সিনেমা কিংবা ওয়েবসিরিজ দেখার কারণে মৃত্যুদণ্ডের বিধান উত্তর কোরিয়ায় বহুদিন ধরেই কার্যকর। সম্প্রতি জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের হার আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে এবং এটি প্রধান কারণগুলোর একটি।
উত্তর কোরিয়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। দেশের আইন-কানুনও বিশেষ ধরনের। বহু বছর ধরে বিদেশি সিনেমা ও ড্রামা প্রচার করা নিয়ে দেশটির নাগরিকদের মৃত্যুদণ্ডের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফোলকার টুর্ক বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ায় এভাবে চলতে থাকলে সেখানকার মানুষদের পরিণতি আরও খারাপের দিকে যাবে। দীর্ঘদিন ধরে যে নিপীড়ন সহ্য করে আসছিল, তা আরও বাড়বে।’
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে গত ১০ বছরে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ৩০০-রও বেশি মানুষের বিবৃতির ভিত্তিতে।
২০১৯ সালের পর পালিয়ে আসা ব্যক্তিরা জানান, ২০২০ সাল থেকে বিদেশি কনটেন্ট বিতরণের জন্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনা বেড়েছে। তারা আরও বলেন, এসব মৃত্যুদণ্ড জনসমক্ষে গুলি করে কার্যকর করা হয়, যাতে জনগণের মধ্যে ভয় সৃষ্টি হয় এবং কেউ আইন ভঙ্গ না করে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের পর অন্তত ছয়টি নতুন আইন চালু হয়েছে, যেখানে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—বিদেশি চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিজ দেখা বা শেয়ার করা। এর পেছনে কারণ হলো কিম জং উনের লক্ষ্য, জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির পথ যতটা সম্ভব কঠোরভাবে সীমিত করা।
খবরওয়ালা/শরিফ