খবরওয়ালা বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
তারকাদের শৈশব নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ছোটবেলাও নানা ঘটনার স্মৃতিতে ভরা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি শেয়ার করেছেন স্কুল জীবনের একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা, যা অনেকের কাছেই অজানা ছিল। শোনা যায়, শৈশব থেকেই সালমান খান ছিলেন দুষ্টু ও চঞ্চল স্বভাবের।
একসময় তার বিরুদ্ধে সহপাঠীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এবং সেই কারণে স্কুল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। তবে সালমানের দাবি—এটি ছিল পুরোপুরি ভুল বোঝাবুঝি। সম্প্রতি কাজল ও টুইঙ্কেল খান্নার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালমান ও তার দীর্ঘদিনের বন্ধু আমির খান। তারা দুজন একই স্কুলে পড়াশোনা করলেও তখন একে অপরকে চিনতেন না।
সালমান স্মৃতিচারণ করে বলেন—“আমি চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ওই স্কুলে পড়েছি। তারপর আমাকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়।”
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সালমান বলেন, এক সহপাঠীর সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। ছেলেটি হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে দাঁত ভেঙে ফেলে।
কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ ভেবেছিলেন সালমান ইচ্ছাকৃতভাবে মেরেছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও ভুল বোঝাবুঝির জেরেই তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
তবে এখানেই শেষ হয়নি। সালমানের মতে, বহিষ্কারের আরেকটি কারণ ছিল স্কুলের ফি বকেয়া থাকা। তিনি বলেন, “আমাকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। এরপর বাবাকে ডাকা হয়। তখন স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, আমার কোনো দোষ নেই, আসল দায় বাবার, কারণ তিনি নিয়মিত ফি পরিশোধ করতেন না।”
এ সময় তার বাবা, চিত্রনাট্যকার সেলিম খান, দৃঢ়ভাবে জবাব দেন—“তাহলে ছেলেকে শাস্তি দিচ্ছেন কেন? আমাকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখুন।” কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি দেনা শোধ করেন এবং সালমানকে স্কুল থেকে তুলে আনেন।
খবরওয়ালা/টিএসএন