খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
সোমালি বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইলহান ওমর মিনেসোটা থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
গত শনিবার ট্রাম্প ইলহান ওমরের (ডি-মিন) সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তাকে আমেরিকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন। ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েও ট্রাম্প একাধিকবার ইলহানকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করেছিলেন।
ট্রাম্প তার Truth Social অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, “তার ফিরে যাওয়া উচিত!” পোস্টের সঙ্গে তিনি ইলহান ওমরের এক সভায় দেওয়া বক্তব্যের ভিডিওও সংযুক্ত করেছেন। অনুষ্ঠানটি কখন হয়েছে তা স্পষ্ট নয়, তবে ভিডিওটি কয়েক সপ্তাহ ধরে ডানপন্থী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোতে প্রচারিত হচ্ছে।
ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়ায়। গৃহযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ৮ বছর বয়সে দেশ ছেড়ে চলে যান। এরপর ১৯৯৫ সালে কেনিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে চার বছর কাটিয়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। ২০০০ সালে তিনি আমেরিকান নাগরিকত্ব লাভ করেন।
ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ সমর্থকরা, লরা লুমারসহ, দ্রুত তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চ্যানেলগুলোতে পোস্টটি ছড়িয়ে দিয়েছেন। এটি প্রথমবার নয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেও ইলহানকে আমেরিকা ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সেপ্টেম্বরে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “আপনি জানেন, আমি সোমালিয়ার প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছি? আমি তাকে বলেছিলাম, তিনি কি ইলহান ওমরকে নিতে চান? সোমালিয়ার প্রধান বলেছিলেন, আমি তাকে চাই না।”
ইলহান ওমরের কার্যালয় তাত্ক্ষণিক মন্তব্যে সাড়া দেয়নি। তবে ইলহান আগের দিনগুলোর হুমকির বিষয়ে বলেন, “আমার কোনো চিন্তা নেই। আমি জানি না তারা কীভাবে আমার নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে এবং আমাকে নির্বাসিত করবে। আমি সেই ৮ বছরের শিশু নই, যিনি যুদ্ধ থেকে পালিয়েছিল। আমি বড় হয়েছি এবং আমার সন্তানরাও বড় হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন সকালে উঠে প্রতিটি আলোচনায় ‘আমরা ইলহানকে দেশ থেকে বের করে দেব’—এমন কথা বলা খুবই অদ্ভুত।”
সূত্র: পলিটিকো
খবরওয়ালা/টিএসএন