খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
থাইল্যান্ডে চলছে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসর। সেখানে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন তানজিয়া জামান মিথিলা। এবারের প্রতিযোগিতায় ১২১টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে লড়ছেন তিনি। ইতিমধ্যেই ভোটের তালিকায় শীর্ষস্থানে উঠে এসে আলোচনায় এসেছেন বাংলাদেশের এই প্রতিযোগী।
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ‘পিপলস চয়েস’ বিভাগে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে ছিলেন মিথিলা।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের এই তারকা আরো এক ধাপ এগিয়ে যান। ভোরে দেখা যায়, তিনি উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। বর্তমানে ভোটে তার অবস্থান সেই দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে। এই সাফল্যে দেশজুড়ে চলছে উচ্ছ্বাস।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়, মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে প্রথম স্থানে যেতে বাংলাদেশের মিথিলার প্রয়োজন আরও ৫০ হাজার ভোট।
জানা গেছে, ভোট চলবে আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। মিথিলার ভক্তরা তাকে শীর্ষে রাখার জন্য নিরলসভাবে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। শুধু ‘পিপলস চয়েস’ নয়, মিথিলা এগিয়ে আছেন আরও কয়েকটি বিভাগে—‘বেস্ট ন্যাশনাল কস্টিউম’ (প্রথম), ‘মিস কনজেনিয়ালিটি’ (দ্বিতীয়), ‘বেস্ট ইভিনিং গাউন’ (দ্বিতীয়) ও ‘বেস্ট স্কিন’ (তৃতীয়)।
বর্তমানে পাতায়ায় অবস্থান করছেন মিথিলা। ফুকেটের ইভেন্ট শেষ করে তিনি সেখানে পরবর্তী রাউন্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দ্বিতীয় স্থানে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি নিজেই।
সবাইকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে মিথিলা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে এগিয়ে যেতে ভোট দিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
এর আগে এক গণমাধ্যমে মিথিলা বলেন, “মঙ্গলবার রাতে যখন ভোটে তৃতীয় হওয়ার খবর পাই, তখন প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। সারা শরীর কাঁপছিল, কান্না পেয়ে গিয়েছিল। আমার দেশের মানুষ যে এত ভালোবাসা দেবে, তা ভেবেই আবেগে আপ্লুত হয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রতিযোগিতার বিচার প্রক্রিয়ায় ভোটের পাশাপাশি বিচারকদের রায়ও গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমি এখন পর্যন্ত সব ইভেন্টেই ভালো পারফরম্যান্স দিতে পেরেছি বলে মনে করছি। দেশের মানুষের ভালোবাসা ও ভোটই আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।”
খবরওয়ালা/টিএসএন