খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
গুলশান–১ এর ১৩৮ নম্বর রোডে শুক্রবার সন্ধ্যায় যে ফাঁকা রেস্তোরাঁটি খালি ছিল, তা দুই ঘণ্টার জন্য রূপ নেয় এক সঙ্গীত মঞ্চে। প্রায় ২০০ দর্শক উপস্থিত থেকে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে চিরায়ত বাংলা গানের সুরের মায়ায় মাতেন।
‘তারা আনপ্লাগড’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন নন্দিতা ও শুভেন্দুর দল ‘মোজি অ্যান্ড কোম্পানি’ এবং অনিমেষ রায়। কখনও একক, কখনও যৌথভাবে তারা পরিবেশন করেন প্রাচীনকালের গান যেমন ‘ময়ূরকণ্ঠী’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’ ও ‘আকাশ এত মেঘলা’। বিশেষ মুহূর্ত তৈরি করে তারা তিনজন মিলে গাওয়া ‘আহা কী আনন্দ’ এবং ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’।
বাদ্যযন্ত্রও ছিল নতুন প্রজন্মের হাতে। সরোদ বাজান দশম শ্রেণির ফুলঝুরি, বাঁশি বাজান কামরুল, স্যাক্সোফোনে রাহিন, কী–বোর্ডে অন্তর, গিটারে মাতিস এবং ড্রামসে সুদীপ্ত। প্রতিটি সুর আধুনিক যন্ত্রসংগীতের ছোঁয়ায় সমৃদ্ধ হয়ে দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
‘তারা’ একটি প্রচারণা, যা বাংলা সংস্কৃতিকে তরুণদের মাধ্যমে জীবন্ত রাখার উদ্যোগ। প্রতিষ্ঠাতা জান্নাতুল ফেরদৌস মুন জানান, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে নতুন তারকাদের সুযোগ দেওয়া এবং বাংলা গানকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা।”
পরিসর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরে আরও দুটি আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। এতে নতুন প্রতিভাধর শিল্পীরা আরও অভিনব পরিবেশনা করার সুযোগ পাবেন।