খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ব্র্যাক ব্যাংকের নেতারা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় শক্তিশালী গভর্ন্যান্স, কঠোর কমপ্লায়েন্স এবং আগাম প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন। ব্যাংকটির ‘অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্স ২০২৫’-এ এই আহ্বান জানানো হয়।
গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে হাইব্রিড ফরম্যাটে আয়োজন করা দিনে এক হাজারের বেশি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ব্রাঞ্চ অপারেশনস ম্যানেজার ও সাব ব্রাঞ্চ ইন-চার্জ অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্স উদ্বোধন করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ–সাইট সুপারভিশনের অতিরিক্ত পরিচালক সুরভী ঘোষ।
সেশনগুলোতে মানি লন্ডারিং এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং ইকোসিস্টেমে বাড়তে থাকা ঝুঁকি নিয়ে অভিজ্ঞ ব্যাংকার ও ঝুঁকি–বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেন। অংশগ্রহণকারীরা বর্তমান ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির পুনর্মূল্যায়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় ফ্রেমওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
নিম্নলিখিত সারণীতে সম্মেলনের প্রধান সেশন এবং আলোচ্য বিষয়গুলো দেখানো হলো:
| সেশন/প্রেজেন্টেশন | উপস্থাপক | বিষয়বস্তু |
|---|---|---|
| মাইক্রোইকোনমিক আউটলুক ও ট্রেড ট্যারিফ | জাহিদ হোসেন | এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ও অর্থনীতি |
| ইকোনমিক ফরকাস্টিং ও ব্যাংকস রেডিনেস | মেহেরিয়ার এম হাসান, আসিফ খান, তারেক রেফাত উল্লাহ খান | ২০২৬ সালের পরিকল্পনা |
| ডেটা–ড্রিভেন, পিপল–পাওয়ার্ড এএমএল ফ্রেমওয়ার্ক | সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, চৌধুরী এম এ কিউ সারোয়ার, শেখ মোহাম্মদ আশফাক | এএমএল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা |
| ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ | মাহমুদা হক | বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক উদ্যোগ |
| রিটেইল লেন্ডিং ঝুঁকি | কাজী ফারুক কামাল | রিস্ক কালচার ও স্ট্রেস টেস্টিং |
কাজী ফারুক কামাল বলেন, ‘স্ট্রেস টেস্টিং ধারাবাহিকভাবে করা উচিত, যাতে প্রতিষ্ঠান নিজস্ব দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে পারে। শক্তিশালী রিস্ক কালচার কর্মীদের উৎসাহিত করে ঝুঁকি সমাধানে, ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।’
সুরভী ঘোষ বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি স্বাভাবিক। বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নীতিমালা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সমস্যা মোকাবিলায় কাজ করছে।’
ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম হাসান বলেন, ‘ফ্রন্টলাইন কর্মীদের জন্য আজকের আয়োজন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করবে। তারা এটি বাস্তবে প্রয়োগ করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারবেন।’
সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর যোগ করেন, ‘আমরা উন্নত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সুশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিই। বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ। ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
খবরওয়ালা /এএসএন