খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য নিরাপত্তা প্রশাসন ২০২৫ সালের জন্য বীমার আওতায় আরও ১১৪টি নতুন ওষুধ অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসার ক্ষেত্রে কভারেজ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
নতুন তালিকায় ট্রিপল-নেগেটিভ স্তন ক্যানসার, অগ্ন্যাশয় ক্যানসার, ফুসফুসের ক্যানসারসহ গুরুতর রোগে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধের ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের বড় ঘাটতি পূরণ করবে।
এ ছাড়াও ল্যাঙ্গারহানস সেল হিস্টিওসাইটোসিস, কিলেটর-অসহিষ্ণু থ্যালাসেমিয়ার মতো বিরল রোগ ও ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বি বৃদ্ধিজনিত সমস্যা এবং অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত রোগীরাও এই নতুন তালিকার সুবিধা পাবেন।
এই হালনাগাদ তালিকা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং দেশের লাখো মানুষের জন্য বাড়তি স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
প্রশাসনের তথ্যমতে, এ বছর প্রস্তাবিত ওষুধের ৮৮ শতাংশ তালিকায় যুক্ত হয়েছে, যা আগের বছরের ৭৬ শতাংশের তুলনায় বেশি।
চিকিৎসা উদ্ভাবনকে উৎসাহ দিতে নতুন অন্তর্ভুক্ত ওষুধের মধ্যে ৫০টি ক্যাটাগরি-ওয়ান উদ্ভাবনী ওষুধ, যেগুলো বৈশ্বিকভাবে প্রথম এবং নতুনত্বপূর্ণ থেরাপি হিসেবে বিবেচিত।
একই সঙ্গে, প্রশাসন একটি বাণিজ্যিক স্বাস্থ্যবীমা উদ্ভাবনী ওষুধের ডিরেক্টরি প্রকাশ করেছে, যেখানে মূল বীমা তহবিলের বাইরে থাকা ১৯টি উচ্চমূল্যের চিকিৎসা যুক্ত হয়েছে।
এই তালিকায় ক্যানসারের জন্য CAR-T থেরাপি, নিউরোব্লাস্টোমা ও গশে রোগের চিকিৎসা এবং অ্যালঝেইমার রোগের ওষুধ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যাতে বাণিজ্যিক বীমাধারীরা দ্রুত এসব উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পান।
বার্ষিক হালনাগাদের পর চীনের বীমা তালিকায় এখন মোট ৩ হাজার ২৫৩টি ওষুধ রয়েছে—এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৭টি পশ্চিমা ওষুধ এবং ১ হাজার ৩৯৬টি স্বত্ব সংরক্ষিত চীনা ওষুধ। ক্যানসার, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, মানসিক স্বাস্থ্য, বিরল রোগ এবং শিশুস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুরক্ষা মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।