Khaborwala Online Desk
প্রকাশ: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
ঢাকায় আবারও আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার কোর্টে ফিরেছে দেশীয় শাটলাররা। দুই দিন বিরতির পর শুরু হওয়া এই নতুন সিরিজে অংশ নিচ্ছেন একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়। আগের ইউনেক্স-সানরাইজ চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্টে মিশ্র দ্বৈত ইভেন্টে আল আমিন জুমার ও ঊর্মি আক্তার রুপা দেশের জন্য স্বর্ণ জয় করে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
এই সাফল্য অর্জনের পর প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। জুমার-ঊর্মি চ্যালেঞ্জ হিসেবে জানাচ্ছেন, তারা শুধু নিজেরা নয়, দেশের শাটলারদেরও উন্নয়নে অবদান রাখতে চান। তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি অনুশীলন ও মানসম্মত প্রশিক্ষণ দেশের ব্যাডমিন্টনের জন্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন ইতিমধ্যেই এই চাহিদা মেনে কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। উন্নতমানের সুবিধা, বিদেশি কোচ এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফেডারেশন। এর আগে এসএ গেমসকে সামনে রেখে বিদেশি দেশগুলোতে পাঠানো হয়েছিল খেলোয়াড়রা, যেখানে তারা আধুনিক প্রশিক্ষণ ও কোচিং পেয়েছিল। তবে জুমার ও ঊর্মি মনে করছেন, বাংলাদেশের শাটলারদের সুবিধা এখনও সীমিত এবং টুর্নামেন্টের সময় সীমিত ক্যাম্পই তাদের একমাত্র সুযোগ।
ঊর্মি আক্তার ফাইনাল হারের পর বলেন, ‘বিদেশি প্রতিপক্ষরা পুরো বছর প্র্যাকটিস করে, তাদের সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি। আমাদের জন্য ধারাবাহিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ জুমারের মতে, ব্যাডমিন্টনের মতো ব্যয়বহুল খেলার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, পৃষ্ঠপোষকতা ও ফেডারেশনের সহায়তা আবশ্যক।
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাসেল কবির সুমন বলেন, ‘স্বল্প সময়ে আমাদের ক্যাম্প আয়োজন করা হলেও ফলাফল ইতিবাচক। দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করা হবে।’ ফেডারেশন ইতিমধ্যেই বিদেশি কোচ নিয়োগের চেষ্টা করছে।
আজ থেকে পল্টনের শহীদ তাজউদ্দীন ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে ইউনেক্স-সানরাইজ সিরিজ, যেখানে ৫ হাজার ডলারের প্রাইজমানি থাকছে। নতুনভাবে অংশ নিচ্ছেন কাজাখস্তান এবং কিছু নতুন ভারতীয় শাটলার।