খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ও তারারকান্দা অঞ্চলের সমাজে সাম্প্রতিক নৃশংস ঘটনার পর, নিহত দীপু চন্দ্র দাসের পরিবার—যাঁদের মধ্যে রয়েছে স্ত্রী, সন্তান এবং বাবা-মা—এখন রাষ্ট্রীয় দেখভালের আওতায় এসেছে। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় দীপু দাসের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা ও পরিবারের চাহিদা নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি দেন ।
তিনি বলেন, “পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় সমর্থন নির্ধারণ করা হবে। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এই যোগাযোগ চালু থাকবে। রাষ্ট্র ও সমাজ হিসেবে আমরা সকল ধর্ম, জাতি ও সম্প্রদায়ের মত প্রকাশের অধিকারকে সম্মান করি, তবে আইন নিজের হাতে নেওয়া কখনো অনুমোদনযোগ্য নয়।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, “দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড নৃশংস ও অজুহাতহীন। বাংলাদেশ সরকার এ ধরনের সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ইতিমধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমাজ একসঙ্গে কাজ করে নিশ্চিত করবে, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতা না ঘটে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন, তারারকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নাজমুস ছালেহীন।
| তারিখ | স্থান | ঘটনা | নিহত | মামলা | গ্রেপ্তার সংখ্যা |
| ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ | ভালুকা, ডুবালিয়াপাড়া | ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা | দীপু চন্দ্র দাস | ১৪০–১৫০ জনকে আসামি করে মামলা | ১২ জন গ্রেপ্তার |
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীপু চন্দ্রকে প্রথমে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে বিবস্ত্র করে মরদেহে আগুন ধরানো হয়। এ ঘটনায় ভাই অপুর চন্দ্র দাস বাদী হয়ে বৃহত্তর মামলা দায়ের করেন।
এদিকে, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ নিহতের পরিবারের জন্য ৫০ হাজার টাকার অর্থসহায়তা প্রদান করেছে।
প্রতিবাদ ও মানববন্ধন:
সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘ দীপু দাস হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন আয়োজন করে। এতে বক্তারা বলেন, “ধর্ম বা বিশ্বাসকে অজুহাত করে কেউ হত্যার উদ্যোগ