খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬
আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (আফকন) ২০২৩-এর ফাইনাল নাটকীয় পরিসমাপ্তির পর মরক্কো এবং সেনেগালের জন্য সুখবর রয়েছে। ৫০ বছর পর শিরোপা জয় থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে থাকা ‘আটলাস লায়ন্সরা’ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে পৌঁছেছে। সর্বশেষ হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে মরক্কো তিন ধাপ উন্নতি করে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ অবস্থান ছিল ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে দশম স্থান।
দুইবারের আফ্রিকীয় শীর্ষ লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সেনেগালও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। সাদিও মানের দল সাত ধাপ উন্নতি করে এখন ১২ নম্বরে অবস্থান করছে। আগের সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিং ছিল ২০২৪ সালে ১৭তম। আফ্রিকার রেকর্ড অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছানো দল হলো নাইজেরিয়া, যারা ১৯৯৪ সালের এপ্রিলে পঞ্চম স্থানে ছিল। আর আরব দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান অধিকার করে মিসর, যারা ২০১০ সালের জুলাইয়ে নবম স্থানে পৌঁছেছিল।
আফকনের পর আফ্রিকার অন্যান্য দলের র্যাঙ্কিংও ব্যাপক পরিবর্তিত হয়েছে। ব্রোঞ্জ জয়ী নাইজেরিয়া সর্বাধিক পয়েন্ট অর্জন করে ৭৯.০৯ পয়েন্ট নিয়ে ২৬তম স্থানে উঠে এসেছে, যা ১২ ধাপ উন্নতি। ক্যামেরুনও একই পরিমাণ উন্নতি দেখিয়েছে এবং বর্তমানে ৪৫তম স্থানে অবস্থান করছে। সেমিফাইনালে ওঠা মিসর চার ধাপ এগিয়ে ৩১তম স্থানে এসেছে, যা আলজেরিয়ার চেয়ে তিন ধাপ নিচে। অপরদিকে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নেওয়া গ্যাবন ৪৪.৯৭ পয়েন্ট হারিয়ে ৮৬তম স্থানে নেমেছে। গিনি সর্বাধিক ধাপ পিছিয়েছে, তারা ১০ ধাপ নেমে এখন ১০৭তম স্থানে রয়েছে।
উপরের সাত দল unchanged থাকায় শীর্ষ র্যাঙ্কিংয়ে কোনো পরিবর্তন হয়নি। শীর্ষ সাত দল হলো: স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, পর্তুগাল এবং নেদারল্যান্ডস।
নিচের টেবিলে আফ্রিকার শীর্ষ দলগুলোর সাম্প্রতিক র্যাঙ্কিং পরিবর্তন দেখানো হলো:
| দল | নতুন অবস্থান | পূর্ব অবস্থান | ধাপ পরিবর্তন | সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিং ইতিহাস |
|---|---|---|---|---|
| মরক্কো | 8 | 11 | +3 | 8 (২০২৬) |
| সেনেগাল | 12 | 19 | +7 | 12 (২০২৬) |
| নাইজেরিয়া | 26 | 38 | +12 | 5 (১৯৯৪) |
| ক্যামেরুন | 45 | 57 | +12 | 43 (২০০৬) |
| মিসর | 31 | 35 | +4 | 9 (২০১০) |
| আলজেরিয়া | 28 | 25 | -3 | 15 (২০১৪) |
| গ্যাবন | 86 | 42 | -44 | 33 (২০০৯) |
| গিনি | 107 | 97 | -10 | 50 (২০০৫) |
এই র্যাঙ্কিংয়ে আফ্রিকার ফুটবলের ক্রমবর্ধমান মান ও প্রতিযোগিতামূলক ধারা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। মরক্কো ও সেনেগালের অসাধারণ পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের আফ্রিকান ফুটবলের জন্য আশার দিশা দেখাচ্ছে।