খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় নাগরিকরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বিশেষ করে দেশের বহুল পরিচিত অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা ও সংগীতশিল্পীরা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। এই নির্বাচনী দিনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মাহফুজ আনাম জেমস।
জেমস ভোট দিয়েছেন বিকেল ৩.৩০ মিনিটে বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বারিধারা স্কলার স্কুল অ্যান্ড কলেজে, যা ঢাকা-১৭ নির্বাচনী আসনের অন্তর্ভুক্ত। কেন্দ্রে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তাকে ঘিরে ভক্তরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি সকল ভোটার, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য বজায় রেখে সেলফির অনুরোধ মিটিয়েছেন।
ভোট দেওয়ার পর জেমস বলেন:
“সুন্দর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আশা করি, সামনে যে আসবেন, এই ধারা অব্যাহত থাকবে। দেশ যেন শান্তিপূর্ণ থাকে, মানুষের জীবন যেন উন্নত ও সুন্দর হয়।”
নির্বাচনের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বলেন:
“সব খুবই স্বচ্ছ এবং সহজে সম্পন্ন হলো। এলাম, স্লিপ নিলাম, ভোট দিলাম—সবকিছু সুন্দরভাবে হয়েছে। কোনো ঝামেলা হয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এর জন্য ধন্যবাদ।”
ভোট দেওয়ার পর জেমস তার ব্যান্ডের অন্যান্য সদস্যদেরও ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন। তিনি ফোনে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের ভোট দেওয়ার খবর জানাতে এবং তাদের খোঁজ নিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন।
নিম্নের টেবিলে জেমসের ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনী এলাকার সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ভোটার | মাহফুজ আনাম জেমস |
| ভোটের তারিখ ও সময় | ১২ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ৩.৩০ মিনিট |
| ভোটকেন্দ্র | বারিধারা স্কলার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা |
| নির্বাচনী আসন | ঢাকা-১৭ |
| ভোট কেন্দ্রের পরিবেশ | শান্তিপূর্ণ, ঝামেলা মুক্ত, সুশৃঙ্খল |
| নির্বাচনী কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা | নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা সদস্যরা দায়িত্বে ছিলেন |
| বিশেষ কার্যক্রম | ভক্ত ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেলফি, ব্যান্ড সদস্যদের উৎসাহিত করা |
রাজধানী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে মানুষ সকাল থেকে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে গণতান্ত্রিক দায়িত্ব পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের মুহূর্তের ছবি এবং অনুভূতি শেয়ার করেছেন অনেক ভোটার ও জনপ্রিয় ব্যক্তি।
জেমসের বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হলো, দেশের জনপ্রিয় ব্যক্তিরাও সচেতন ভোটার হিসেবে গণতন্ত্রের শক্তি ও শান্তিপ্রিয় সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছেন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যেমন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে, তেমনি দেশপ্রেমিক মনোভাবও দৃঢ় হচ্ছে।