খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জ শহরে মাদ্রাসায় মেয়েকে পৌঁছে দেওয়ার পর বাড়ি ফেরার পথে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের বিয়ারা ঘাট ঈদগাহ মাঠের সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ আঁখি খাতুনের বয়স ৩২ বছর। তিনি বিয়ারা ঘাট গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী।
সদর থানার ওসি মো. শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, আহত মা আঁখি খাতুন তার মেয়েকে সিরাজগঞ্জ শহরের একটি মাদ্রাসায় পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ব্যবহার করছিলেন। এই সময় হঠাৎ সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী এসআই পরিবহনের একটি বাস অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর চালক বাসটি রেখে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ অবিলম্বে অভিযান চালিয়ে বাস চালক আশরাফুল ইসলামকে আটক করে। পুলিশ উদ্ধার ও তদন্তের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে।
দুর্ঘটনার স্থানের বর্ণনা, সময় এবং নিহতের ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচের টেবিলে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো।
| তথ্যের বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| নিহতের নাম | আঁখি খাতুন |
| বয়স | ৩২ বছর |
| পিতার নাম | ফারুক হোসেন |
| স্থায়ী ঠিকানা | বিয়ারা ঘাট, সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ |
| দুর্ঘটনার তারিখ ও সময় | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল |
| দুর্ঘটনার স্থান | বিয়ারা ঘাট ঈদগাহ মাঠের সামনে, সিরাজগঞ্জ সদর |
| যানবাহন involved | ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ঢাকাগামী এসআই পরিবহন বাস |
| গাড়ির চালক আটক | আশরাফুল ইসলাম |
| পুলিশি স্টেশন | যমুনা সেতু পশ্চিম থানা |
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার ফলে ওই এলাকায় যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বিঘ্নিত হয়। তারা দ্রুত গাড়ি চালকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং জেলা পুলিশকে আরও শক্তিশালী টহল জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে মানসিক সহায়তা ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, বাসটির দায়ের মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ের জন্য সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তারা জানিয়েছেন, শিশুদের সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন।