খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 6শে মাঘ ১৪৩০ | ১৯ই জানুয়ারি ২০২৪ | 1148 Dhu al-Hijjah 5
মিরপুর প্রতিনিধি ॥ ঘনকুয়াশার সাথে কনকনে ঠান্ডায় হাড় কাঁপানো তীব্র শীতে কাঁপছে মিরপুর উপজেলার মানুষ। “মাঘের শীতে বাঘ কাঁদে” প্রাচীন এই গ্রাম্য প্রবাদ আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়া এবং শৈত্য প্রবাহের কারনে জনজীবন বিপর্যয় এনেছে। তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডায় শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষজন মানবেতর জীবনযাপন করলেও পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের বরাদ্দ নেই বলে জানা গেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোরের দিকে হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে। সহসাই কমছে নস শীত। আরও দুই একদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। কুয়াশার চাদরে ঘেরা গোটা উপজেলা। বৃষ্টির মত টপ টপ করে পড়ছে কুয়াশা। তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু মানুষের পাশাপাশি নিদারুণ কষ্টে আছে প্রাণীকুল। গত সাত দিন ঠান্ডা আরো বেশি অনুভূত হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাহিরে বের হচ্ছেন না। স্বেচ্ছায় ঘর বন্দি হয়ে পড়ায় রাস্তা-ঘাট অনেকটাই ফাঁকা। এতে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন পড়েছেন বিপাকে। মিরপুর উপজেলার মশান ভুমিহীন পাড়ার দুইশ বাসিন্দা। তারা জানান, তীব্র এই কনকনে ঠান্ডা পাশাপাশি ফাঁকা মাঠের বাতাসে কাবু হয়ে গেছে। তাদের আক্ষেপ, শীতবস্ত্র বিতরণে তেমন কোন উদ্যোগ নেই। যদি সংশ্লিষ্টরা শীতবস্ত্র বিতরণ উদ্যোগী হয় তাহলে আমাদের অনেক উপকারে আসবে। দৈনিক ২০০ টাকা জমা দিয়ে ভাড়ায় ভ্যান চালান সেকেন্দার। তিনি জানান, দুপুর হয়েছে এখন পর্যন্ত ভাড়ার জমার টাকা আয় হয়নি। বাজারে মানুষজন কম। উপজেলার রোকেয়া বেওয়া (৫৩) জানান, প্রচণ্ড শীতে কষ্টে আছি। একটা কম্বল দিয়েও কেউ সাহায্য করেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের ত্রাণ ও দুর্যোগ শাখা সূত্রে জানা জায়, শীতবস্ত্র হিসেবে প্রথম ধাপে কিছু কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। তা বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আশ্রয়ন প্রকল্প সহ সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।