খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি আগামী নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিকেল পাঁচটায় প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় সাতটি রাজনৈতিক দল ও হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অংশ নেয়া দলগুলো হলো নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় গণফ্রন্ট। এর আগে গত রোববার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধান উপদেষ্টা।
জোনায়েদ সাকি জানান, বৈঠকে দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে—নির্বাচনী পরিবেশ এবং বিচার ও সংস্কার। তাঁর মতে, সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করতে পারেনি, ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
তিনি জানান, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা, যা নির্বাচনী পরিবেশ সমন্বয় করবে।
বিচার ও সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিচার দৃশ্যমান করাও জরুরি, পাশাপাশি সংস্কার বাস্তবায়নের পথও নির্ধারণ করতে হবে। সংবিধান-সংশ্লিষ্ট নয় এমন বিষয়ে সরকারকে অধ্যাদেশের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে এবং পরে সংসদের মাধ্যমে তা বৈধতা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে ঐকমত্য না হলে জনগণের মাধ্যমে ফয়সালা করার কথাও বলেন জোনায়েদ সাকি। এ জন্য আগামী নির্বাচনের নাম রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন—‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন’, যেখানে সরকার পাঁচ বছরের জন্য সংসদ গঠন করবে এবং একই সঙ্গে মৌলিক সংবিধান সংস্কারের অনুমোদন পাবে।
খবরওয়ালা/এন