খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 23শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ৭ই মার্চ ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার ভারতের মুখোমুখি দাঁড়াচ্ছে নিউজিল্যান্ড ফাইনালে। কিন্তু নিজ দেশের মাঠে ভারত অতীতে ‘অপয়া’ খ্যাতি থেকে মুক্ত হতে পারেনি। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং চলতি বিশ্বকাপের সুপার এইটে ভারত এই ভেন্যুতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। তাই এবার পিচ তৈরিতে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, যাতে ভারতীয় দল সুবিধা নিতে পারে।
কিউরেটররা মাটির সংমিশ্রণ পরিবর্তন করে এমন উইকেট তৈরি করছেন যা ব্যাটারদের সুবিধা দেবে। স্টেডিয়ামে দুটি ধরনের মাটি—কালো ও লাল—মিশ্রিতভাবে রয়েছে। ফাইনালের জন্য লাল মাটির পরিমাণ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে ব্যাটাররা স্ট্রোক খেলায় সুবিধা পাবেন এবং বোলাররা বাউন্সার ব্যবহার করতে পারবেন।
| পিচের ধরন | প্রভাব | ব্যাটিং সুবিধা | বোলিং সুবিধা | লক্ষ্য |
|---|---|---|---|---|
| লাল মাটি বেশি | স্পোর্টিং | স্ট্রোক খেলা সহজ | বাউন্সার প্রয়োগ সহজ | ভারতীয় আধিপত্য |
| কালো মাটি | ধীর ও কনসার্ভেটিভ | সীমিত স্ট্রোক খেলা | কম আক্রমণাত্মক বোলিং | অতীত ব্যর্থতা |
পিছনের ইতিহাসে দেখা যায়, ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত কালো মাটির উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায়। প্রথম সুপার এইটের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারত কাঙ্ক্ষিত প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার লাল ও কালো মাটির সংমিশ্রণে নতুন উইকেট তৈরি করা হচ্ছে।
লাল মাটির পিচে ব্যাটাররা স্ট্রোক খেলায় সুবিধা পাবে এবং বোলাররা বাউন্সার ব্যবহার করে আক্রমণ চালাতে পারবেন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত লাল মাটির পিচে আধিপত্য দেখিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আহমেদাবাদে একই কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।
ভারতীয় দল আশা করছে, এই নতুন পিচ ব্যবস্থাপনা তাদের টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের পথে সহায়ক হবে। আহমেদাবাদকে ‘অপয়া’ খ্যাতি থেকে মুক্ত করতে এবং দর্শকদের সামনে একটি জয়ের গল্প উপহার দিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।
এবার দেখার বিষয়, আহমেদাবাদে লাল মাটির পিচ ভারতের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে কি না। ফাইনাল ম্যাচে ভারতের কৌশল, প্রস্তুতি ও পিচের সমন্বয়ই নির্ধারণ করবে ম্যাচের ফলাফল।