অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
বলিউডের নামকরা পরিচালক মহেশ ভাট সম্প্রতি এক পুরোনো ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। জানা গেছে, একবার তিনি সিনেমার একজন ইনভেস্টরকে নিজ হাতে মানুষের মাংস খাওয়ান; এবং এটি করেছিলেন এক তান্ত্রিকের নির্দেশে, উদ্দেশ্য ছিল ক্যারিয়ার উন্নতি।
ঘটনাটি সম্প্রতি তার বড় মেয়ে পূজা ভাটের পডকাস্টে উঠে এসেছে। মহেশ ভাট নিজের মুখেই জানিয়েছেন, তার বয়স তখন বিশ। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হতে এবং ক্যারিয়ার উন্নতির আশায় তিনি তান্ত্রিকের পরামর্শ মেনে এই কাজ করেছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন বন্ধু অরুণ দেশাই। তবে তান্ত্রিকটি অনুভব করেছিলেন যে মহেশ ভাট তন্ত্র-মন্ত্রে বিশ্বাস করেন না।
পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘ওই তান্ত্রিক একটি পুরিয়া বের করে আমাদের হাতে দিয়ে বলেছিলেন এতে ঘাট (শশ্মান) থেকে আনা (মরা) মানুষের মাংস রয়েছে। এটা নিয়ে যাও এবং তোমাদের বিনিয়োগকারীকে খাইয়ে দাও, তিনি অবশ্যই টাকা দেবেন।’
মহেশ ভাট ও তার বন্ধু তখন বিনিয়োগকারীকে খুঁজে বাড়িতে যান। এরপর কীভাবে তাকে মানুষের মাংস খাওয়ানো যাবে, তা নিয়ে পরিকল্পনা করেন। পুরিয়া থেকে বের করা মানুষের মাংস পান-মিশ্রণে মিশিয়ে কৌশলে বিনিয়োগকারীকে খাওয়ানো হয়।
মহেশ ভাট বলেন, ‘আস্তে আস্তে পান মুখের কাছে নিয়ে চিবিয়ে খেতে শুরু করেন তিনি। আমরা ভেবেছিলাম তীরটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। আমি ভাবছিলাম, এখন আমার অর্থের সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু মাসখানেক পরে হতাশা ছাড়া কিছু পাইনি, ওই ব্যক্তি টাকা দেননি।’
রেডিটে মহেশ ভাটের এই স্বীকারোক্তি প্রকাশিত হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠে। একজন লিখেছেন, ‘ভাই, এ কেমন মানুষ। শীঘ্রই ওর থেরাপি বা মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘আর নিতুজি এই পরিবারকে পছন্দ করেন না। ক্যাটের পরিবারে এমন কোনো দানব ছিল না।’ একজন নেটিজেন আরও লিখেছেন, ‘আলিয়া যে নাম অর্জন করেছে তা ডুবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বাবা।’
খবরওয়ালা/শরিফ