খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের ম্যাচে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ যে নিজস্ব উচ্চতায় খেলেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রতিপক্ষকে কোনোভাবেই প্রতিযোগিতায় রাখেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে ডি ককের শতকই ছিল একমাত্র উজ্জ্বল দিক। ভারতের বোলিং আক্রমণ শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত ছিল, বিশেষ করে প্রসিধ কৃষ্ণা দারুণ বোলিং করে ৪ উইকেট নেন। তাঁর সুইং ও শর্ট অব লেংথ ডেলিভারি ব্যাটারদের নানাভাবে সমস্যায় ফেলে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ২৭০ রান করলেও শুরু থেকেই পরিষ্কার ছিল—ভারত যদি টপ অর্ডার দিয়ে ম্যাচ ধরে রাখতে পারে, তবে জয়ের পথ সহজ হবে। রোহিত শর্মা ও জয়সোয়াল সেই কাজটিই করেন। দুজনের জুটির শুরুর সতর্কতা, পরে আগ্রাসী রূপ, সব মিলিয়ে ভারতের ইনিংস শুরুতেই ম্যাচকে একপেশে করে দেয়।
৩৭ বছর বয়সী কোহলি যখন ক্রিজে নামেন, তখন দলের দরকার ছিল শুধু ম্যাচ শেষ করা। তিনি সেটাই করেছেন। স্ট্রাইক রোটেশন, সুযোগ পেলে বাউন্ডারি—সব মিলিয়ে একটি আদর্শ ওয়ানডে ইনিংস। যদিও সেঞ্চুরির পথে যেতে পারেননি, তবুও তাঁর ব্যাটে যে স্থায়িত্ব দেখা গেছে—তাতে বোঝা যায়, ক্রিকেটীয় পরিপক্বতা তাঁকে আরও উন্নত করে তুলেছে।
জয়সোয়াল তাঁর ইনিংসে যেন দুটি অংশ খেলেছেন। প্রথম অংশে সতর্কতা—পরের অংশে আগ্রাসন। এই দুই অংশের নিখুঁত মিশ্রণে আসে তাঁর প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। তিনি ভারতের ভবিষ্যৎ টপ অর্ডারের জন্য একটি বড় বার্তা দিয়েছেন—সরল ক্রিকেট খেলেও বড় রান করা যায়।
শেষ পর্যন্ত কোহলি–জয়সোয়ালের অপরাজিত ১১৬ রানের জুটিতে ভারত ৯ উইকেটের অবিস্মরণীয় জয়ে সিরিজ দখল করে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এমন দাপুটে জয় ভারতীয় ক্রিকেটকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলল।