খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ফ্রান্স ও নেপাল—দুটি ভিন্ন মহাদেশের দুটি দেশ। তবে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিনটি দুই দেশেই রাজনৈতিক অস্থিরতার নতুন মোড় বয়ে এনেছে। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বায়রু পার্লামেন্টে এমপিদের আস্থা ভোটে হেরে যাওয়ার পর পদত্যাগ করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
অন্যদিকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলিও বিক্ষোভ ও রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের চাপের মুখে দায়িত্ব ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বায়রু নিজেই আহ্বান করা আস্থা ভোটে শোচনীয়ভাবে হেরে যান। এর ফলে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সামনে সপ্তমবারের মতো নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজে বের করার চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করবেন মাখোঁ। ততদিন পর্যন্ত বায়রু ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভে অচল হয়ে যায় দেশ। নিরাপত্তা বাহিনীর নির্বিচার গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত হওয়ার পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের ফ্রান্স ও দক্ষিণ এশিয়ার নেপালে একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে অস্থিরতার প্রতিফলন। ফ্রান্সে সংসদীয় সমর্থন হারানো আর নেপালে জনবিক্ষোভের চাপ—দুই ভিন্ন কারণে হলেও শেষ পর্যন্ত দুটি দেশেই রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিবর্তনের মুখে দাঁড়াতে হলো।
খবরওয়ালা/এন