খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক মনে করছেন যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুনের সূত্রপাত ইমপোর্ট কুরিয়ার বিভাগ থেকেই হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বেবিচক সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আগুনের উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তবে প্রাথমিক ধারণা এমনটাই। বহু সংস্থা ঘটনাটি নিয়ে অনুসন্ধান করছে। তাদের তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার পরই আগুনের আসল ও সুনিশ্চিত কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় ১৫টি বিমানকে ভিন্ন ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। আর এই সময় বিমান চলাচল স্থগিত থাকায় যে যাত্রীরা আটকে পড়েছিলেন, তাদের পরদিন বিকেল ৪টার মধ্যে নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দমকল বাহিনীর গাড়ি প্রবেশে বিলম্ব কেন হলো—এমন প্রশ্নের উত্তরে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের সামনের অ্যাপ্রোনে পণ্য স্তূপ করে রাখায় প্রাথমিক পর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে সমস্যা হয়েছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের দায়িত্ব পালন করে। তারাই বিভিন্ন এয়ারলাইন্স থেকে আসা মালপত্র কার্গো ভিলেজের সামনের অ্যাপ্রোনে জমিয়ে রেখেছিল। এই কারণেই দমকল বাহিনীর প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শাহজালাল বিমানবন্দরের মান হ্রাস পাবে কি না—এই প্রশ্নের উত্তরে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, শাহজালালে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আইকা (ICAO) এবং এর মানদণ্ডকে প্রভাবিত করবে না। তবে দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলে বিমানবন্দরের সুনাম আরও বাড়বে।
খবরওয়ালা/টিএসএন