খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
রাঁচির প্রথম ওয়ানডে আবারও মনে করিয়ে দিল—ভারত বড় স্কোর করলেও বোলিং বিভাগে নির্ভরযোগ্যতা এখনও পুরোপুরি ফিরে আসেনি। ৩৪৯-এর বিশাল স্কোর সত্ত্বেও ম্যাচটি শেষ ওভার পর্যন্ত গড়ানো ভারতীয় দলের জন্য সতর্কবার্তা। বিশেষ করে ইয়ানসেন, ব্রিটজকে ও বশের ব্যাটিং ভারতীয় পেসার ও স্পিনারদের কাঁপিয়ে দিয়েছে।
তা সত্ত্বেও ভারত জিতেছে—শুধুমাত্র ব্যাটসম্যানদের ব্যতিক্রমী পারফরম্যান্সের জন্য। কোহলির ১৩৫ রানের ইনিংস নিঃসন্দেহে ম্যাচের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত। তিনি শুধু পুরনো ছন্দে ফিরেছেন তা নয়; ভারতীয় ইনিংসের স্থিতি রক্ষার দায়িত্বটিও একাই সামলেছেন। রোহিত শর্মার ৫৭ রানের স্বচ্ছন্দ ইনিংস এবং ছক্কার রেকর্ডে আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সাফল্য ভারতকে মানসিকভাবে এগিয়ে দেয়।
কিন্তু বোলিং নিয়ে উদ্বেগ রয়েই গেল। অর্শদীপ ও রানা শুরুতে উইকেট পেলেও মধ্য ওভারগুলোয় নিয়ন্ত্রণ হারানো স্পষ্ট ছিল। ইয়ানসেন যখন রান তুলছিলেন প্রায় ১৮০ স্ট্রাইক রেটে, তখন ভারতের লাইন-লেংথ বারবার নড়বড়ে হয়ে যায়। ব্রিটজকে ও বশও দেখালেন—এই দক্ষিণ আফ্রিকা নিউ জিল্যান্ড বা ইংল্যান্ডের মতো ভয়ঙ্কর রান তাড়া করতে পারে।
কুলদীপ যাদব পুরো বোলিং ইউনিটের মুখরক্ষা করেছেন। তাঁর ৪ উইকেটই মূল সময়ে—রানচক্র থামানোর ও প্রতিপক্ষের গতি ভাঙার উপযুক্ত অস্ত্র হয়ে উঠল। শেষ ওভারে ১৮ রান দরকার থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকা লড়াই ছাড়েনি। ভারত জয় পেল, কিন্তু কীভাবে পেল—এই প্রশ্নই কোচিং স্টাফের সামনে বড় আলোচনার ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়াবে।
আগামী ম্যাচ রায়পুরে। এই ম্যাচ ভারতের ব্যাটিং শক্তি দেখালেও বোলিং বিভাগের দুর্বলতাগুলোকেও সমানভাবে উন্মোচিত করেছে।