আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: 15শে আশ্বিন ১৪৩২ | ৩০ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা উপত্যকায় সংঘর্ষ থামাতে ২০টি প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সায় দিয়েছেন। এর ফলে দখলদার পক্ষ গাজায় যুদ্ধ থামানোর জন্য প্রস্তুত।
যদিও ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস এখনো এই প্রস্তাব নিয়ে কোনো বক্তব্য দেয়নি, তবুও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে হামাসও এতে সম্মত হবে।
হামাস সম্মতি দিলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলিদের সব জীবিত ও মৃত বন্দীকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে গাজায় একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
এরপর গাজার ওপর থেকে হামাসকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করতে হবে। এরপর গাজায় একটি নতুন সরকার বা প্রশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, যার প্রধানের দায়িত্ব নেবেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউজে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনার পর ট্রাম্প এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রগোষ্ঠীকে নিয়ে গঠিত এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাম হবে “দ্য বোর্ড অব পিস” বা শান্তি প্রশাসন, যার নেতৃত্বে থাকবেন তিনি। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, আরব ও ইসরায়েলিদের অনুরোধেই তিনি এই গুরুভার নিচ্ছেন।
তাঁর নেতৃত্বাধীন এই সাময়িক সরকারে আরও বিশ্বনেতারা যুক্ত থাকবেন। এদের মধ্যে প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নাম রয়েছে, যিনি ২০০৩ সালে ব্রিটিশ সৈন্যদের ইরাকে আক্রমণের নির্দেশ দেওয়ায় অনেকের কাছে “ইরাকের কসাই” হিসেবে পরিচিত।
গাজার নতুন অন্তর্বর্তী সরকার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এ ছাড়া তারা ফিলিস্তিনিদের মধ্য থেকে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচন করে পরবর্তী সময়ে গাজায় ফিলিস্তিনি-নেতৃত্বাধীন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। পাশাপাশি গাজায় একটি সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনী তৈরি করে তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এই সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ হবে গাজা ও হামাসকে পুরোপুরিভাবে নিরস্ত্রীকরণ করা।
সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল
খবরওয়ালা/টিএসএন