খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
রংপুরের পীরগাছায় এক গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ভুক্তভোগীর সতীন আমেনা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কুদ্দুস।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৪ অক্টোবর) ভোরে, পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নের তৈয়ব গ্রামে। অভিযোগ অনুযায়ী, গৃহবধূ শেফালী বেগমকে (৪২) তার স্বামী নজরুল ইসলাম (৪৭), প্রথম স্ত্রী আমেনা বেগম ও কয়েকজন আত্মীয় মিলে একটি সুপারি গাছে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। ওই নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর রবিবার বেলা ১১টার দিকে মাহিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত করে। পরে নির্যাতনের শিকার শেফালী বেগম বাদী হয়ে মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি আমেনা বেগমকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগী শেফালী বেগম জানান, তিনি পীরগাছার পাওটানা হাট এলাকার নিজতাজ গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৪ সালে নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও সতীন আমেনা বেগম তাকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন। নির্যাতনের ভয়ে গত এক বছর ধরে তিনি আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। শুক্রবার রাতে স্বামীর বাড়িতে ফিরে গেলে নজরুল তাকে জানায়, তালাক দিয়েছেন। তালাকের কাগজ দেখতে চাইলে তাকে বেঁধে মারধর করা হয়।
ওসি আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘মামলায় নাম থাকা অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। দ্রুতই সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’
খবরওয়ালা/এমএজেড