খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
কর্মজীবী তানজিলা মোস্তাফিজের সন্তানের বয়স ১ বছর ১১ মাস। বহু চেষ্টা-তদবিরের পর তিনি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার ভবনে অবস্থিত সরকারি দিবাযত্ন কেন্দ্রে তার সন্তানের জন্য একটি স্থান নিশ্চিত করতে পেরেছেন।
এই দিবাযত্ন কেন্দ্রটি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের ‘২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হয়। বর্তমানে আসন পাওয়ার জন্য মা-বাবাদের করা ৫৫০টি আবেদন প্রতীক্ষার তালিকায় জমা আছে।
এই প্রকল্পের মেয়াদ গত ৩০ জুন শেষ হয়ে গেছে। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানিয়েছেন যে, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প বন্ধের ঘোষণা আসেনি। ফলে অভিভাবকেরা এখনও কেন্দ্রে সন্তানদের রাখতে পারছেন। তবে কর্মীরা মাসিক বেতন পাচ্ছেন না।
তানজিলা মোস্তাফিজ বলেন, তার সন্তান এই দিবাযত্ন কেন্দ্রে থাকতে স্বচ্ছন্দবোধ করে। কেন্দ্রটি তাদের বাসার কাছে, বেশ নিরাপদ এবং এর ব্যয়ও কম। বেসরকারি দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোতে খরচ অনেক বেশি। তাই কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেলে সন্তানকে কোথায় রাখবেন, এই নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগে আছেন।
তথ্য আপারাও তাদের শিশু সন্তানদের সাথে নিয়ে আন্দোলন করেছেন। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনরাত ফুটপাতে এই নারীদের অবস্থান কর্মসূচি অনেককেই নাড়া দিয়েছে।
শুধু এই কেন্দ্রটির কর্মীরাই নন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা আরও কয়েকটি প্রকল্পের কর্মীরা বছরজুড়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ‘মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’ ও ‘তথ্য আপা: তথ্য যোগাযোগপ্রযুক্তির মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন’ প্রকল্প, এবং জয়িতা ফাউন্ডেশন পরিচালিত রাপা প্লাজার ‘জয়িতা বিপণনকেন্দ্র ও জয়িতা ফুডকোর্ট’ প্রকল্পে মোট আড়াই হাজারের বেশি কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি নারী। কর্ম হারিয়ে এবং বেতন না পেয়ে তারা চরম সংকটে পড়েছেন।
তানজিলা বলেন, তাঁর সন্তান এ দিবাযত্ন কেন্দ্রে থাকতে পছন্দ করে। কেন্দ্রটি বাসার কাছে, নিরাপদ, খরচও কম। বেসরকারি দিবাযত্ন কেন্দ্রে খরচ অনেক বেশি। তাই কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেলে সন্তানকে কোথায় রাখবেন, এ নিয়ে তিনি বেশ দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।
শুধু এই কেন্দ্রের কর্মীরাই নন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কয়েকটি প্রকল্পের কর্মীরা বছরজুড়ে রয়েছে দুশ্চিন্তায়। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ‘মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’ ও ‘তথ্য আপা: তথ্য যোগাযোগপ্রযুক্তির মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন’ প্রকল্প, জয়িতা ফাউন্ডেশন পরিচালিত রাপা প্লাজায় ‘জয়িতা বিপণনকেন্দ্র ও জয়িতা ফুডকোর্ট প্রকল্পে আড়াই হাজারের বেশি কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি নারী। কাজ হারিয়ে, বেতন না পেয়ে তারা পড়েছেন বিপাকে।
খবরওয়ালা/টিএসএন