খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ‘এইচ-ওয়ান-বি’ ভিসার ফি বাড়িয়ে এক লাখ ডলার করেছে। এর পরই চীন চলতি বছরের আগস্টে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ‘কে-ভিসা’ চালুর ঘোষণা করেছে। খবর বিবিসি।
চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবর থেকে এই ভিসা কার্যকর হবে।
‘এইচ-ওয়ান-বি’ ভিসা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৯০ সাল থেকে চালু রয়েছে। এটি মূলত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশলী ও অঙ্কশাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কুশলী কর্মীদের জন্য। সবথেকে বেশি সংখ্যায় এই ভিসা পেয়েছেন ভারতীয় নাগরিকরা, এরপর চীনের নাগরিকরা।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে নিউজউইক জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করবে না। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাকে চীন স্বাগত জানাবে।
সিনহুয়া জানিয়েছে, ‘কে-ভিসা’ চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রের প্রতিভাবান ব্যক্তিদের চীনে গিয়ে কাজ করার সুযোগ দেওয়া। এটি চীনের ইতোমধ্যে বিদ্যমান ১২ ধরনের ভিসার থেকে আলাদা। ‘কে-ভিসা’ধারী ব্যক্তিরা দেশে প্রবেশ, সময়সীমা ও বসবাসের ক্ষেত্রে বেশি সুবিধা পাবেন। এদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ থাকবে, পাশাপাশি ব্যবসা ও শিল্প স্থাপনও করতে পারবেন। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, কোনো চীনা নিয়োগকর্তা বা প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণপত্র না পেলেও আবেদন করা যাবে।
স্নাতক, গবেষক ও শিল্পদ্যোগীদের জন্য ‘কে-ভিসা’ বিশেষ সুবিধাজনক হবে। আবেদনকারীরা চাইলে দেশটিতে গিয়ে চাকরি খুঁজে নিতে পারবেন। ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবে সেইসব বিদেশি তরুণ-তরুণী, যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল বা অঙ্কশাস্ত্রে চীন বা বিদেশি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শিক্ষকতা বা গবেষণায় নিয়োজিত পেশাজীবীরাও আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের জন্য মূল শর্ত হলো নির্দিষ্ট বয়সসীমা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ।
‘কে-ভিসা’ হলো চীনের ২০১৩ সালে চালু করা ‘আর-ভিসা’র উন্নত সংস্করণ। তখনও এ ভিসার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে প্রতিভাবানদের চীনে আমন্ত্রণ জানানো হতো।
খবরওয়ালা/এন