খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান সম্প্রতি একবারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন তার ব্যক্তিগত জীবনের কারণে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মাত্র চার মাসের পরিচয়ের পর মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদ-কে বিয়ে করে নতুন জীবনের সূচনা করেছিলেন তিনি। তবে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই এই সংসার ভাঙনের মুখে পড়েছে।
সংবাদটি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন তাহসান নিজেই। একান্ত আলাপে তিনি বলেন, “খবরটি সত্য। দীর্ঘদিন ধরেই, জুলাই মাসের শেষ থেকে আমরা আলাদা ও বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করছি। সঠিক সময় এলে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু বিবাহবার্ষিকী নিয়ে ভুয়া খবর বের হওয়ায় জানাতে হচ্ছে যে আমরা একসঙ্গে নেই।”
তাহসান ও রোজা আহমেদের সম্পর্কের উত্তেজনা বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই শুরু হয়েছিল বলে জানা গেছে। কয়েক মাস ধরে তারা আলাদা থাকছেন এবং আপাতত ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু শেয়ার করতে চাইছেন না।
রোজা আহমেদ একজন অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্রাইডাল মেকআপ শিল্পে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে তার নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
তাহসান খানের ব্যক্তিগত জীবনের ইতিহাসও সমৃদ্ধ। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট তিনি অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা-র সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সেই সংসার দীর্ঘ ১১ বছর স্থায়ী হলেও ২০১৭ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে ইতি ঘটে। তবে বিচ্ছেদের দুই বছর আগে থেকেই তারা আলাদা বসবাস করছিলেন। তাহসানের প্রথম সংসার থেকে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, আইরা তাহরিম খান।
নিচের টেবিলে তাহসানের বিবাহ ও ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
| ঘটনা | বিবরণ | সময়কাল |
|---|---|---|
| প্রথম বিবাহ | রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহ | ৩ আগস্ট ২০০৬ – ২০১৭ |
| প্রথম বিবাহের সন্তান | কন্যা, আইরা তাহরিম খান | জন্মকাল: ২০১০ (প্রায়) |
| দ্বিতীয় বিবাহ | রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহ | ৪ জানুয়ারি ২০২৫ |
| বর্তমান অবস্থা | আলাদা বসবাস, সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন | জুলাই ২০২৫ থেকে |
| রোজা আহমেদের পেশা | ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট, নিউইয়র্কে প্রতিষ্ঠান | ১০+ বছর অভিজ্ঞতা |
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাহসান খান তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে আরও প্রকাশ করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অনুরাগীরা এবং গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে, বিশেষত তার করুণ পরিস্থিতি ও প্রকাশ্যে অস্পষ্টতার কারণে।