খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নওগাঁর মহাদেবপুরে সাবরেজিস্ট্রার অফিসের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রক কনককে ১০ দিন পার হলেও আটক করতে পারেনি পুলিশ। কনকের বিরুদ্ধে ডিবিসি টেলিভিশনের সাংবাদিক একে সাজুকে মারধর ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হলেও প্রধান আসামি কনক এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
মামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে অন্যান্য আসামিরা প্রকাশ্যে থানা চত্বরে ঘোরাফেরা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, কনক মহাদেবপুর উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার অফিসের সমিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে। জমির খারিজ ও দলিল সম্পাদনের সময় সমিতিকে বড় অঙ্কের চাঁদা দিতে হয়। এ সুযোগে কনকের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করে কনক বাহিনী। সম্প্রতি রাতের আধারে জমির খারিজ সম্পাদন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গত ২৭ আগস্ট ঘটনাস্থলে যান ডিবিসির নওগাঁ প্রতিনিধি একে সাজু।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে কনক ও তার অনুসারীরা সেখানে গিয়ে সাজুর কাছে থাকা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এমনকি সাবরেজিস্ট্রারের সামনে নিয়েও আরেক দফা হামলা চালানো হয়।
পরে পুলিশ গিয়ে আহত সাজুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় সাজু ১ সেপ্টেম্বর মহাদেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় কনককে প্রধান আসামি করা হলেও তিনি এখনও গ্রেপ্তার হননি।
সাজুর অভিযোগ, পুলিশ প্রধান আসামিকে আটক না করে টালবাহানা করছে। প্রতিদিন থানা চত্বরে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও তাকে খুঁজে পাচ্ছে না।
এ বিষয়ে মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীন রেজা বলেন, প্রধান আসামিকে আটক করার জন্য জোর চেষ্টা চলছে।
খবরওয়ালা/শরিফ