খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 13শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ২৭ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, “আমরা ৫৩ বছর ধোঁকা খেয়েছি, আর নয়। পুরোনো বউকে নতুন শাড়ি দিয়ে ধোঁকা দেওয়া যাবে না। দেশের মানুষ আর এই প্রতারণার শিকার হবে না। আমাদের দেশকে মুক্ত করতে হবে।”
চরমোনাইয়ের ঐতিহাসিক অগ্রহায়ণের মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত উলামা-মাশায়েখ ও দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের উলামা-ওলমারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে জাতীয় উলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নতুন সভাপতি হিসেবে দেশের শীর্ষ আলেম মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদকে ঘোষণা করা হয়।
পীর আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনে পরিবর্তন আসতেই হবে। ৫৩ বছর ধরে যারা দেশ পরিচালনা করছে, সেই নীতি ও আদর্শে আমরা চোরের দিক থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। হাজার হাজার মা ও সন্তান হারিয়েছে। এখন দেশের পরিচালনার জন্য তাদের মানসিক অবস্থাও ভয়ঙ্কর। তারা ক্ষমতায় এলে আবারও সেই চরিত্র প্রকাশ পাবে।”
চরমোনাই পীর স্পষ্ট করেন, তিনি নিজে কখনও প্রার্থী হবেন না। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি প্রার্থী হইনি এবং হবও না। সারা দেশে আমার সফর অব্যাহত থাকবে। দিন-রাত নিজের পকেটের টাকায় ঘুরছি। এর পেছনে একটি লক্ষ্য আছে—দেশ, ইসলাম ও মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসা।”
তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, দেশের মানুষ প্রতারণা আর নীতিহীনতার শিকার হবে না। পীরের বক্তব্যে উঠে এসেছে, দেশের সর্বত্র নতুন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কার আনার প্রেরণা।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম দেশের রাজনীতিতে ৫৩ বছরের প্রতারণার ইতিহাসকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেন, “পুরোনো বউকে নতুন শাড়ি দিয়ে ঘোমটা দিয়ে ধোঁকা দেওয়া যায় না। আমরা আর প্রতারণার শিকার হইব না। দেশের মানুষকে মুক্ত করতে হবে।”
চরমোনাইয়ের ঐতিহাসিক অগ্রহায়ণ মাহফিলে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত উলামা-মাশায়েখ ও দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম-ওলমারা।
সম্মেলনে জাতীয় উলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নতুন সভাপতি হিসেবে দেশের শীর্ষ আলেম মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদকে ঘোষণা করা হয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা।
পীর বলেন, “৫৩ বছর ধরে যারা দেশ পরিচালনা করছে, তারা নীতিহীনতার কারণে চোরের দিক থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। হাজার হাজার মা ও সন্তান হারিয়েছে। তাদের নতুন করে ক্ষমতায় আসার মানসিক প্রস্তুতি ভয়ঙ্কর। তাই আগামী নির্বাচনে পরিবর্তন অবশ্যই আসতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি প্রার্থী নই, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কখনও হবও না। কিন্তু দিন-রাত নিজের পকেটের টাকায় দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ঘুরছি। আমাদের লক্ষ্য একটাই—দেশ, ইসলাম ও মানুষের জন্য কাজ করা।”
চরমোনাই পীরের বক্তব্যে উঠে এসেছে যে দেশের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশের সামাজিক মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। পীর আশা প্রকাশ করেন, আগামীর নির্বাচনে মানুষ তাদের ক্ষমতা প্রমাণের সুযোগ পাবে এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কার শুরু হবে।