খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 30শে ভাদ্র ১৪৩২ | ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি রবিবার জানান, গত সপ্তাহে জেন-জি আন্দোলন চলাকালীন সংঘটিত অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর ‘দেশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপরাধ’।
এর আগে শুক্রবার অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে কার্কি বিক্ষোভে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার ঘোষণা দেন এবং দেশের নির্বাচনের রূপরেখা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সিংহ দরবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্ত হওয়া উচিত এবং সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে সবার সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি জরুরি।’
কার্কি মন্তব্য করেন, ‘মাত্র ২৭ ঘণ্টার বিক্ষোভে আমি আগে কখনো এমন পরিবর্তন দেখিনি। এই তরুণ প্রজন্মের দাবিগুলো পূরণে আমাদের দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগোতে হবে। আমি ইচ্ছা করে এখানে আসিনি; আপনাদের আহ্বানেই এই দায়িত্ব নিয়েছি। প্রতিবাদের নামে যা ঘটেছে, তা পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে, যা এক ধরনের ষড়যন্ত্রের প্রশ্ন তোলে।’
তিনি উল্লেখ করেন, সরকার সিংহ দরবার, সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্ট, ব্যবসায়িক কমপ্লেক্স ও ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে ভাঙচুরের তদন্ত করবে। একই সঙ্গে তিনি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করতে ইতিবাচক মানসিকতা এবং সকলের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অর্থনীতিবিদরা অনুমান করছেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের অবকাঠামো এবং সরকারি নথিপত্রের ক্ষয়ক্ষতি মিলিয়ে আর্থিক ক্ষতি প্রায় তিন ট্রিলিয়ন নেপালি রুপি, যা নেপালের দেড় বছরের বাজেটের সমান বা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় অর্ধেক। অর্থনীতিবিদ চন্দ্র মণি আধিকারী বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’
সূত্র: দ্য কাঠমাণ্ডু পোস্ট
খবরওয়ালা/শরিফ