খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নোয়াখালী-৬ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনীর ওপর ভোটকেন্দ্রে হামলার অভিযোগ উঠেছে। শ্যামলী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, সোমবার নির্বাচনী কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা তার ওপর লোহা রড দিয়ে হামলা চালায় এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।
শ্যামলী আরও জানান, হামলার সময় তাকে মারার দৃশ্য ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে তার মোবাইল ভেঙে ফেলা হয়। হামলার সময় তার দেবরকেও একইসাথে মারধর করা হয়। শ্যামলী অভিযোগ করেন যে, উপস্থিত প্রশাসন এই ঘটনায় কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিল।
এ ঘটনায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হান্নান মাসউদের স্ত্রীর ওপর বিএনপির সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। হামলার সময় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।” তিনি ভোটারদের কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়ার ঘটনাও তুলে ধরে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও নিরাপদ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী-৬ আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা তদারকিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে এবং নির্বাচনী সহিংসতা রোধে প্রশাসনের দ্রুত কার্যক্রম নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
নিম্নে হান্নান মাসউদ ও তার স্ত্রী সম্পর্কিত ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| তথ্যের ধরন | বিবরণ |
|---|---|
| প্রার্থী | হান্নান মাসউদ |
| রাজনৈতিক দল | জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) |
| আসন | নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) |
| আক্রান্ত ব্যক্তি | শ্যামলী সুলতানা জেদনী (স্ত্রী) |
| হামলার ধরণ | লোহা রড দ্বারা আঘাত, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া |
| সহকারী আক্রান্ত | দেবর |
| অভিযোগের বিষয় | প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা |
| দায়ের দাবি | হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত |
স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মন্তব্য করছেন, ভোটের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আস্থা বৃদ্ধি পাবে। শ্যামলী সুলতানা জেদনীর এই অভিযোগের ফলে নির্বাচনী উত্তেজনা আরও তীব্র হতে পারে।
এদিকে, ভোটার ও স্থানীয়রা কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাতে সকল প্রার্থী ও ভোটার নিরাপদে ভোট দিতে পারেন।