খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২ আগস্ট ২০২৫
যশোরের সদর উপজেলার শাখারীগাতি গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন বিএনপির এক স্থানীয় নেতা। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটককৃত ওই ব্যক্তি হলেন হারুন অর রশিদ খান (হারুন খান), শাখারীগাতি গ্রামের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা ও মৃত ইসহাক খানের ছেলে। তিনি নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক এবং শাখারীগাতি এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে হারুন খান একই গ্রামের উত্তরপাড়ার এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন। সন্দেহ হলে স্থানীয়রা নজরদারি শুরু করেন এবং কিছু সময় পর দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
মুহূর্তেই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে গণধোলাই দেয়।
খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং হারুন খানকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
তবে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে হারুন খান বলেন, পাওনা টাকা আনতে গেলে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কবির হোসেন বলেন, ‘হারুন অর রশিদকে স্থানীয়রা আপত্তিকর অবস্থায় ধরে গণধোলাই দেয়। এরপর তাকে পুলিশ ক্যাম্পে এনে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না থাকায় শুক্রবার (১ আগস্ট) তাকে ১৫১ ধারায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’
খবরওয়ালা/এসআই