খবরওয়ালা মফস্বল ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তরমুজ দেওয়ার কথা বলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে নাশির হাওলাদার (৪৫) নামে ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য প্রভাবশালী একটি মহল চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং প্রভাবশালীদের ভয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। তারা পুলিশ প্রসাশনের কাছে আইনি সহায়তা দাবি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকালের দিকে তালতলী উপজেলার একটি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম গাবতলী গ্রামের স্কুলছাত্রীকে তরমুজ চাষি নাশির হাওলাদার তরমুজ দেওয়ার কথা বলে ডেকে ঘরে নিয়ে যায়। ওই সময় ঘরে তার পরিবারের কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায়। কিন্তু স্কুলছাত্রীর ডাক চিৎকারে মানুষ এসে পড়তে নাশির হাওলাদার ধর্ষণে ব্যর্থ হয়। ওই স্কুলছাত্রীর অভিযোগ তাকে ঘরে নিয়ে নাশির ঝাপটে ধরে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। তার পাজামা ও ওড়না ছিড়ে ফেলেছে।
এ ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে নাশির স্থানীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে ভুক্তভোগী পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা না নিতে চাপ প্রয়োগ করেছেন। তারা প্রভাবশালীদের ভয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছেন না। ভুক্তভোগী পরিবার আইনি সহায়তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের সহায়কা দাবি করেছেন।
স্কুলছাত্রী বলেন, ‘তরমুজ দেওয়ার কথা বলে নাশির হাওলাদার আমাকে ঘরে ডেকে নেন। আমি ঘরে ওঠা মাত্রই তিনি আমাকে ঝাপটে ধরেন এবং আমার পরিধানের কাপড় ছিড়ে ফেলেন। আমি ডাক চিৎকার দিলে তিনি আমাকে ছেড়ে দেন। আমি ওই নাশির হাওলাদারের শাস্তি দাবি করছি।’
স্কুলছাত্রীর মার অভিযোগ করে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমাকে স্থানীয় প্রভাবশালীরা আইনি ব্যবস্থা নিতে দেয়নি। তারা সালিশ ব্যবস্থার নামে আমাকে হয়রানি করছে। আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে আইনি সহায়তা দাবি করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রভাবশালীদের চাপে আমি থানায় অভিযোগ দিতে সাহস পাচ্ছি না। নাশির হাওলাদার আমার মেয়েরে সর্বনাশ করেছে। তার শাস্তি দাবি করছি।’
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। দ্রুত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে।’
খবরওয়ালা/আরডি