খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: 11শে বৈশাখ ১৪৩২ | ২৪ই এপ্রিল ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
বাবার নামে ইস্যুকৃত ঠিকাদারি লাইসেন্সকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষিতে বাবার হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ (২৪ এপ্রিল) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ক্ষমার বিষয়টি উল্লেখ করেন।
স্ট্যাটাসে তিনি ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে থাকাকালীন এই লাইসেন্স ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ সৃষ্টি করতে পারে—বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পর তাঁর বাবা নিজেই লাইসেন্স বাতিলের আবেদন করেন এবং আজই সেটি বাতিল করা হয়েছে।’
ফেসবুকে আসিফের দেওয়া পোস্টটি তুলে দেওয়া হলো- প্রথমেই আমার বাবার ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। গতকাল রাত ৯টার দিকে একজন সাংবাদিক কল দিয়ে আমার বাবার নামে ইস্যুকৃত ঠিকাদারি লাইসেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলেন। বাবার সাথে কথা বলে নিশ্চিত হলাম তিনি জেলা পর্যায়ের (জেলা নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার এর কার্যালয় থেকে ইস্যুকৃত) একটি লাইসেন্স করেছেন। বিষয়টি উক্ত সাংবাদিককে নিশ্চিত করলাম।

তিনি পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, নিউজও হলো গণমাধ্যমে। নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে তাই ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করলাম। আমার বাবা একজন স্কুলশিক্ষক। আকুবপুর ইয়াকুব আলী ভুঁইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। স্থানীয় একজন ঠিকাদার কাজ পাওয়ার সুবিধার্থে বাবার পরিচয় ব্যবহার করার জন্য বাবাকে লাইসেন্স করার পরামর্শ দেন। বাবাও তার কথায় জেলা নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার থেকে একটি ঠিকাদারি লাইসেন্স করেন। রাষ্ট্রের যেকোনো ব্যক্তি ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে যেকোন লাইসেন্স করতেই পারে। তবে আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরত থাকা অবস্থায় বাবার ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়ানো স্পষ্টভাবেই কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। বিষয়টি বোঝানোর পর আজ বাবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মধ্যবর্তী সময়ে উক্ত লাইসেন্স ব্যবহার করে কোন কাজের জন্য আবেদন করা হয়নি।
এর আগে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বাবা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জুলকারনাইন সায়ের।
খবরওয়ালা/এসআর