খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 29শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ১৩ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, ব্যাংক একীভূতকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এতে আমানতকারীদের কোনো ধরনের আতঙ্কের প্রয়োজন নেই।
তিনি বলেন, আমানতকারীদের টাকা নিরাপদ থাকবে এবং সবাই তাদের টাকা ফেরত পাবেন। সরকারও আমানতকারীদের দায়ভার নিবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালা ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বর্তমানে পাঁচটি ব্যাংক একীভূতকরণের আলোচনায় রয়েছে। গত কিছুদিনে চারটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। ব্যাংকগুলো হলো: ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক। এক্সিম ব্যাংক বৈঠকে উপস্থিত ছিল না।
একীভূতকরণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ব্যাংকগুলোর সম্পদের মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং এই মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও অর্থের হিসাব করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক শিগগিরই সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় টাকার চাহিদার চিঠি পাঠাবে।
ব্যাংক একীভূতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক অক্টোবরের মধ্যে পাঁচটি ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করতে চায়।
মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইউনিয়ন ব্যাংকের মোট ঋণের ৯৭.৮০ শতাংশ (২৬ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা) খেলাপি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের ৯৬.৩৭ শতাংশ (৫৮ হাজার ১৮২ কোটি টাকা), গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংকের ৯৫ শতাংশ (১৩ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা), সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকের ৬২.৩০ শতাংশ (২৩ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা) ও এক্সিম ব্যাংকের ৪৮.২০ শতাংশ (২৫ হাজার ১০১ কোটি টাকা) খেলাপি। তবে এক্সিম ব্যাংক একীভূত হতে অনিচ্ছুক এবং ইতোমধ্যে আপত্তি জানিয়েছে।
গভর্নর বলেন, কবে কোন ব্যাংক কার সঙ্গে একীভূত হবে তা সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে। এখনকার জন্য আমানতকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
খবরওয়ালা/আশ