আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ এবং সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে হাজার হাজার যুবক বিক্ষোভ করেছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) তারা নেপালের পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করে এই বিক্ষোভ করে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-নেপাল সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
এসএসবি’র একজন কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন, “নেপালের বিক্ষোভের কারণে ভারত-নেপাল সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সতর্কতা পূর্বসতর্কতামূলক, এবং পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে।”
এর মধ্যে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতায় ১৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের পর নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
১৯ জন নিহত হওয়ার পর উদ্ভূত অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন।
ভারত-নেপাল সীমান্ত ১ হাজার ৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটি উত্তরাখণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম রাজ্যের ওপর দিয়ে বিস্তৃত। দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে অবাধ চলাচলের এই সুবিধা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, প্রতিবেশী দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়ে।
এসএসবি নিশ্চিত করেছে যে কোনো ধরনের অস্থিরতা যাতে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
খবরওয়ালা/টিএসএন