খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ আগস্ট ২০২৫
মাদারীপুরের ডাসারে দুইটি কলেজে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাদারীপুরের ডাসারে দুটি কলেজে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয় (সাবেক সরকারি শেখ হাসিনা উইমেন্স কলেজ) ও শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের মাদারীপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ে ছয় শিক্ষক সৈয়দ অলিউর রহমান, সুদীপ বসু, রেবেকা পারভান এ্যানী, নুরুন নাহার, হুমায়ুন কবির ও মো. মামুন—এবং কয়েকজন কর্মচারীকে নিয়োগ দেয় তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটি। সম্প্রতি এ নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি তদন্তে নামে দুদক। অভিযানে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র চাওয়া হয় কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে।
অন্যদিকে, শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক চম্পা রানী মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতা গ্রহণ করছেন এমন অভিযোগে সেখানে অভিযান চালায় দুদক।
দুদকের কর্মকর্তারা দুইটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তারা।
শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ বলেন, ‘আমার ও আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে, তা নিয়ে আমরা উচ্চ আদালতে রিট করেছি। আদালতের সিদ্ধান্তের পর সব পরিষ্কার হবে।’
ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটি ও সিনিয়রদের সিদ্ধান্তেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দুদকের চাওয়া সব কাগজপত্র সময়মতো সরবরাহ করা হবে।’
এ বিষয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘চার সদস্যের একটি দল দুইটি কলেজে অভিযান পরিচালনা করেছে। শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম এবং অনুপস্থিতির পরও বেতন উত্তোলনের মতো গুরুতর অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
খবরওয়ালা/এমইউ