খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সনদ গ্রহণের বিষয়টি জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। এমন অনৈতিক কাজের জন্য সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অন্তত ১২ জন ব্যক্তি তাঁদের সনদ স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং লিখেছেন—‘আমি লজ্জিত’।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সনদ ফেরত দিতে আবেদন করা ব্যক্তিদের নাম–পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি, যাতে তাঁরা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন না হন। মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাঁরা আবেদন করেছেন, যা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম গত ১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও সনদ নেওয়া ব্যক্তিদের সনদ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, স্বেচ্ছায় সনদ ফিরিয়ে দিলে তাঁদের সাধারণ ক্ষমা করা হতে পারে; অন্যথায় প্রতারণার দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণের কারণে পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সনদ বাতিল করা হয়। তাঁরা হলেন সাবেক সচিব কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান, নিয়াজ উদ্দিন মিয়া, এ কে এম আমির হোসেন ও যুগ্ম সচিব আবুল কাসেম তালুকদার। এই সনদ ব্যবহার করে তাঁরা চাকরির মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ করা একটি গুরুতর অপরাধ। সরকার এ ধরনের প্রতারণা রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং সনদ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। এতে সাড়া দিয়ে যারা সনদ ফিরিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এড়ানোর সুযোগ থাকছে।
খবরওয়ালা/ এমবি