বুধবার, ৩ই জুন ২০২৬, ২০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ৩ই জুন ২০২৬, ২০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক

মেয়র পদে বসেই চ্যালেঞ্জের মুখে জোহরান মামদানি

খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

মেয়র পদে বসেই চ্যালেঞ্জের মুখে জোহরান মামদানি

নিউ ইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি নানা দিক থেকেই বিশেষ আলোচনায়। ১৮৯২ সালের পর তিনি শহরের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র। পাশাপাশি আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবেও ইতিহাস গড়েছেন তিনি।

গত বছর সামান্য অর্থ ও সীমিত পরিচিতি নিয়ে কোনো দলীয় সমর্থন ছাড়াই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন জোহরান মামদানি। সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো এবং রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস সিলওয়াকে পরাজিত করে তিনি চমকপ্রদ জয় অর্জন করেন।

তরুণ ও ক্যারিশম্যাটিক এই নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। জোহরান মামদানি এমন এক রাজনীতিবিদ, যাকে বামপন্থিরা বহু বছর ধরে খুঁজছিলেন।

তার জাতিগত পরিচয় দলের বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে। তিনি রাজনৈতিক লড়াই থেকে পিছিয়ে না গিয়ে বিনামূল্যে শিশু যত্ন, গণপরিবহন সম্প্রসারণ এবং মুক্তবাজারে সরকারি হস্তক্ষেপের মতো বামপন্থি উদ্দেশ্যগুলোকে সমর্থন করে গর্বিত।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ভোটারদের কাছে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক বিষয়ে মনোযোগী থেকেও মামদানি বামপন্থিদের সাংস্কৃতিক নীতিগুলো অস্বীকার করেননি।

সমালোচকরা সতর্ক করেছেন, তার মতো প্রার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তৃত অংশে অনির্বাচিত, এবং রিপাবলিকানরা তাকে পার্টির অতি-বাম মুখ হিসেবে তুলে ধরছেন। তবুও মঙ্গলবার রাতে বিজয়ীর বেশে নিউ ইয়র্কে আত্মপ্রকাশ করেন মামদানি।

সাবেক গভর্নর কুওমোকে হারিয়ে মামদানি এমন একটি প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক কাঠামোকে পরাজিত করেছেন, যা অনেক বামপন্থি মনে করেন তাদের দলের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক হারিয়েছে।

এই কারণেই মামদানির মেয়র পদে জয় গণমাধ্যমের বিশেষ মনোযোগ কাড়ে। অর্থাৎ, এখন থেকে তার সাফল্য ও ব্যর্থতা উভয়ই নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

১২ বছর আগে বিল ডি ব্লাসিওও অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য হ্রাসের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন, তবে মেয়াদ শেষে তিনি জনপ্রিয়তা হারান এবং নতুন নীতি বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতার মুখে পড়েন।

মামদানিকেও একই প্রত্যাশা ও সীমাবদ্ধতার সঙ্গে পথ চলতে হবে। গভর্নর ক্যাথি হোচুল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি মামদানির উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার জন্য কর বৃদ্ধির বিপক্ষে।

যদিও পর্যাপ্ত তহবিল রয়েছে, মামদানি এককভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি কর্পোরেট ও ব্যবসায়িক অভিজাতদের সমালোচনা করলেও এখন কার্যকর শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সেই গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হতে পারে— যা তিনি শুরু করেছেনও।

গাজা যুদ্ধ ইস্যুতে ইসরায়েলের আচরণের নিন্দা করে মামদানি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে এলে তাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে গ্রেফতার করবেন। ভবিষ্যতে এই প্রতিশ্রুতি তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

এখন তার প্রধান কাজ জনসমক্ষে নিজের পরিচয় গড়ে তোলা— তার বিরোধীরা করার আগেই। যদিও তার প্রচারণা জাতীয় মনোযোগ কুড়িয়েছে, তবুও এখনো অনেক আমেরিকানের কাছে তিনি অজানা একটি নাম।

সিবিএসের সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, ৪৬ শতাংশ আমেরিকান নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচন খুব একটা অনুসরণ করেননি। এটি মামদানি ও আমেরিকান বামদের জন্য একসাথে সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ।

রক্ষণশীল ও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নবনির্বাচিত এই মেয়রকে সমাজতান্ত্রিক হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবেন। তারা মামদানির প্রতিটি ভুল ও নেতিবাচক সূচককে বড় করে দেখাবে।

ট্রাম্পের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব মামদানির জন্য জটিলতা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি তাকে সিনেটর চাক শুমারের মতো ডেমোক্র্যাটিক নেতাদের মন জয় করতেও হবে।

তবে মামদানির সুবিধা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তেমন কোনো অতীত বিতর্ক নেই, যা প্রতিদ্বন্দ্বীরা প্রচারণায় কাজে লাগাতে পারেনি।

জানুয়ারিতে শপথ নেয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক অবস্থান মজবুত করার সুযোগ পাবেন তিনি। আর ট্রাম্পের বিরোধিতা বরং তার জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারে।

তার রাজনৈতিক প্রতিভা ও নেতৃত্ব তাকে এতদূর এনেছে, কিন্তু সামনের বছরগুলোতে তাকে আরও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।

নিউ ইয়র্কবাসীরা তাদের শহরকে বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু ভাবলেও মঙ্গলবারের নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাজনৈতিক মেজাজের সঠিক প্রতিফলন নয়।

নিউ জার্সি ও ভার্জিনিয়ায়ও গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ডেমোক্র্যাটরা বড় ব্যবধানে জয় পান। মামদানির তুলনায় ওই প্রার্থীরা মধ্যপন্থি ছিলেন, তবে সবাই জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

এক্সিট পোলগুলো দেখায়, অর্থনীতি এখনো ভোটারদের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

বাম ও মধ্যপন্থি ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ে দলটি ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

তবে মামদানি জোর দিয়ে বলেছেন, তার দলে সবার জন্য জায়গা আছে।
তিনি বলেন, “আমি চাই এই দলটি হোক এমন এক দল যেখানে সত্যিকারের আমেরিকানরা নিজেদের প্রতিফলিত দেখতে পাবে— কেবল রাজনীতিবিদদের মুখ নয়।”

“আমাদের সবাইকে একত্রিত করে একটাই উদ্দেশ্য— শ্রমজীবী মানুষের জন্য লড়াই করা।”

আগামী বছর কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই দৃষ্টিভঙ্গি পরীক্ষা হবে। তখন উত্তেজনা বাড়বে, পুরনো বিভাজনও ফিরে আসতে পারে। কিন্তু আপাতত, ডেমোক্র্যাটরা এক রাতের জন্য অন্তত ঐক্যবদ্ধ ও আনন্দিত।

খবরওয়ালা/টিএসএন