খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৪ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা ধীরে ধীরে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। এ মুহূর্তে শুধু দলগুলোর জয়-পরাজয় নয়, বরং খেলোয়াড়দের উপস্থিতি ও তাদের প্রভাব নিয়েও চলছে তীব্র আলোচনা। এই আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু লিওনেল মেসি এবং আর্জেন্টিনা। সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন জার্মান ফুটবলের কিংবদন্তি, বায়ার্ন মিউনিখের তারকা টমাস মুলার।
মুলারের মতে, মেসি আর্জেন্টিনার জন্য দুই ধরনের প্রভাবই ফেলতে পারেন। একদিকে তিনি দলের আক্রমণাত্মক শক্তি বাড়াবেন, অন্যদিকে অতিরিক্ত নির্ভরতা ও চাপও তৈরি করতে পারেন। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জয়ী জার্মান দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে মুলারের দৃষ্টিকোণ থেকে এই বিষয়ে বিশ্লেষণ বিশেষ প্রাসঙ্গিক।
ম্যাজেন্টা টিভি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুলার বলেন:
“যদি মেসি সেখানে থাকে, এটি অবশ্যই খেলা আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। তবে এটি দলের সামগ্রিক ভারসাম্যও বদলে দিতে পারে। কখনও এটি ভালো দিকেও যেতে পারে, আবার কখনও নেতিবাচক দিকেও।”
মুলার সম্প্রতি এমএলএস কাপের ফাইনাল ম্যাচেও মেসিকে সরাসরি দেখেছেন, যেখানে তার দল ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটস ইন্টার মায়ামির কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে। সেই ম্যাচের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মুলার মনে করেন, “এমএলএসের মাঠে মেসি প্রতিবার বল পেলে সক্রিয় হয়ে অনেক আক্রমণ শুরু করেছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তা একইভাবে কাজ করবে কি না, সে ব্যাপারে আমি সন্দিহান।”
একই সাক্ষাৎকারে মুলার জার্মানির ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন। ২০১৪ সালের শিরোপার পর জার্মানি টানা দুবার গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছে। এই ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটে, মুলারের মনোভাব পুরোপুরি শিরোপা নয়, বরং পরবর্তী পর্বে ওঠার দিকে কেন্দ্রীভূত।
| প্রতিপক্ষ | অবস্থা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| কুরাসাও | কম পরিচিত | আন্তর্জাতিক মানচিত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ |
| আইভরি কোস্ট | শক্তিশালী | সরাসরি লড়াই হবে |
| ইকুয়েডর | দক্ষিণ আমেরিকার রানার্সআপ | কৌশলগত চ্যালেঞ্জ প্রদান করবে |
মুলার যোগ করেন, “প্রথম দৃষ্টিতে প্রতিপক্ষদের নাম দেখলেই বোঝা যায়, পরবর্তী পর্বে ওঠা আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক। গ্রুপ পর্বে ব্যর্থ হলে শিরোপার স্বপ্ন কঠিন হয়ে যাবে।”
সংক্ষেপে, মেসির উপস্থিতি আর্জেন্টিনার জন্য দু’ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মুলারের বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যায়, ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দল এবং তারকা উভয়কে মিলিয়ে ব্যালান্স বজায় রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আর জার্মানির দিক থেকে, এবার লক্ষ্য শুধু শিরোপা নয়, গ্রুপ পর্ব পার হওয়া