খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় শুক্রবার দুপুরে নুর এ আলম (৩৫) নামে এক লেগুনা চালককে পূর্বশত্রুতার জেরে হত্যা করা হয়েছে। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু রাতের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরন করেন।
যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু জানান, হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে সুফিয়া গার্মেন্টেসের সামনে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহত নুর এ আলমের সঙ্গে সম্প্রতি অন্য লেগুনা চালক ও শ্রমিকদের মধ্যে পূর্বের কোনো বিরোধ নিয়ে ঝগড়া বিবাদ চলছিল। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া না গেলে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| নিহতের নাম | নুর এ আলম |
| বয়স | ৩৫ বছর |
| পেশা | লেগুনা চালক |
| হত্যার স্থান | যাত্রাবাড়ী, ঢাকা |
| সময় | শুক্রবার দুপুর |
| হাসপাতাল | ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল |
| ঘটনার প্রাথমিক কারণ | পূর্বশত্রুতা ও ঝগড়াঝাটির সূত্রপাত |
ওসি রাজু বলেন, “নিহত নুর এ আলমের মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। আমাদের অফিসাররা মর্গে অবস্থান করছেন এবং তদন্ত প্রক্রিয়া তদারকি করছেন।” তিনি আরও বলেন, “নিহতের সঙ্গে যাদের বিরোধ ছিল, তাদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। হত্যার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা সম্ভব হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যাত্রাবাড়ী এলাকায় লেগুনা চলাচলের কারণে ছোটখাটো দ্বন্দ্ব প্রায়ই দেখা যায়, তবে এ ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা বিরল। ব্যবসায়ী ও চালকরা সাধারণত পূর্বশত্রুতার জেরে ছোটখাটো ঝগড়ায় লিপ্ত হন, কিন্তু এ ধরনের হত্যাকাণ্ড পূর্বে অনেক সময় সমাজে ভয় তৈরি করে।
নিহত নুর এ আলম এক সমাজসেবামূলক পরিচিত লেগুনা চালক ছিলেন। তার পরিবার জানিয়েছে যে, সম্প্রতি তিনি পরিবেশিত এলাকার অন্যান্য চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে ব্যবসায়িক ও পারস্পরিক বিরোধে জড়িয়েছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশ দ্রুত হত্যার প্রকৃত দায়ীদের খুঁজে বের করবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।
মোটামুটি, এই হত্যাকাণ্ড ঢাকা শহরের যাত্রাবাড়ী এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিক থেকে সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে। পুলিশকে এই ঘটনার তদারকি এবং তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে হত্যার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।