খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
দীর্ঘ আট বছর ধরে বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে থাকা রোহিঙ্গা সংকটে মিলেছে আশার আলো। অবশেষে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। এই অগ্রগতি বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কীভাবে বাংলাদেশ মিয়ানমারকে রাজি করাল রোহিঙ্গা ফেরাতে—এখন উঠে এসেছে সেই কৌশলের কথা।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার এক ফেসবুক পোস্টে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সরকারের অবস্থান ও প্রচেষ্টার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেনটেটিভ ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
ফেসবুক পোস্টে আজাদ মজুমদার লেখেন, “রয়টার্স, ইএফই এবং ওয়াশিংটন পোস্টের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আমি (ড. খলিলুর রহমান) দুই দশক ধরে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলেছি। আমি ক্যাম্পের প্রতিটি কোণে গিয়েছি, তাদের দুর্দশার গল্প লিখেছি, বিশেষ করে ২০১৭ সালের গণহত্যার পর।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি যে সংকটের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের এত কাছে আসতে পারব, যা অবশেষে প্রত্যাবাসনের পথ খুলে দেবে।”
ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে আজাদ জানান, বাংলাদেশ শুরুতে মিয়ানমারের সঙ্গে বৈঠকে বসতে অস্বীকৃতি জানায়। কারণ, বিআইএমএসইসি সম্মেলনে মিয়ানমারের প্রতিনিধি রোহিঙ্গাদের ‘অবৈধ বাঙালি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
তবে পরে মিয়ানমার ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে উপযুক্ত হিসেবে স্বীকৃতি দিলে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ড. খলিলুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আজাদ লেখেন, “উচ্চ প্রতিনিধি খলিলুর রহমান যেভাবে পুরো বিষয়টি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন, তা দেখে আমি মুগ্ধ। তাঁকে অভিবাদন।”
খবরওয়ালা/জেআর