খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় আনোয়ার হোসেন (৪৩) নামের এক স্বর্ণ-ব্যবসায়ীকে গুলি করে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বনশ্রী ডি ব্লকের ৭ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পরে রাত ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় করে ওই ব্যবসায়ীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। আহত ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানা এলাকায় বলে জেনা গেছে। তিনি বনশ্রী এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। বাসার সামনেই এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে আসা অলংকার জুয়েলার্সের মালিক মুজিবুর রহমান জানান, রাতে বাসায় ফেরার পথে কয়েকটি মোটরসাইকেলে আসা দুষ্কৃতকারী আনোয়ার হোসেনের গতিরোধ করে। তার কাছে থাকা স্বর্ণ ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি বাধা দিলে তাকে চার রাউন্ড গুলি করা হয়।
একপর্যায়ের তার কাছে থাকা প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, বনশ্রী থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছে। তার শরীরে কয়েকটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে রামপুরা থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ভুক্তভোগীর দোকান বনশ্রীর ডি ব্লক এলাকায়। প্রতিদিন তিনি দোকান থেকে এ সময় বাসায় ফেরেন। আজ দোকান থেকে বাসায় যাওয়ার সময় তাকে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারীরা ঘিরে ধরে। এ সময় তার কাছ থেকে স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় তারা। এ ছাড়া তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে এবং ছুরিকাঘাত করে।
তিনি জানান, ঘটনাটি ভুক্তভোগীর বাসার সামনেই ঘটেছে। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, তার কাছ থেকে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে ছিনতাইকারীরা।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কাউকে এখনো আটক করা যায়নি বা চিহ্নিত করা যায়নি। আমরা ঘটনাস্থলে আছি এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছি। ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করে তাদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
খবরওয়ালা/এমএজেড