খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সিলেট ও মৌলভীবাজারে র্যাব এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হেফাজতে দুই আসামির মৃত্যু হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই আত্মহত্যার ঘটনা বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেটে র্যাবের হেফাজতে মারা যান তানভীর চৌধুরী নামের এক আসামি। র্যাব-৯ জানায়, তাকে দেওয়া কম্বল গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। তানভীরের বাড়ি গাজীপুরে, তিনি নওগাঁ জেলার একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। শনিবার সিলেটের জৈন্তাপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে তানভীরের আত্মহত্যার দৃশ্য ধরা পড়েছে। নিহতের স্বজন, চিকিৎসক, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
অন্যদিকে মৌলভীবাজারের পিবিআই হাজতখানায় সোমবার ভোরে মো. মকদ্দোছ মিয়া (৩৫) নামের এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউশার ইউনিয়নের কোনাগাঁও গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, কমলগঞ্জের নন্দগ্রামে লিটন হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে মকদ্দোছ মিয়া স্বেচ্ছায় থানায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের কাছে তাঁকে হস্তান্তর করা হয়। রাতের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হাজতে রাখা হয় তাঁকে। ভোরে লুঙ্গির সাহায্যে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে দেখতে পাওয়া যায়। এরপর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পিবিআই মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. জাফর হোসেন বলেন, মকদ্দোছ মিয়া ওই হত্যা মামলায় অজ্ঞাত আসামি ছিলেন। পরবর্তীতে একজন অভিযুক্ত তাঁর নাম প্রকাশ করলে তিনি থানায় আত্মসমর্পণ করেন।
খবরওয়ালা/এমএজেড