শাহ মাইদুল ইসলাম
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫
‘রোহক ও তেত্রিশটি কবিতা’ থেকে তিনটি…
সবজি বাজার
সবজি বাজার এহেন লোমশ—
রোহক, তোমাকে বোঝাবার আশ্লেষে
যাতায়াত করি
শীত ঋতুর গহিনে
ওম পরবশ
টাটকা ও যথাযথ তার রং
প্রকট এখানে…
যাই-আসি করি
দিনেদুপুরেও, দেখি
ঢলে যেয়ে পড়ে আর্ত দিন
গুঢ় রাত্রিতলে
সবজিবন ঘিরে জেগে ওঠে—
নানাবিধ চাঁদ
রোহক, ছড়ানো-ছিটানো ও দিগ্বিদিক
মনে হলেও, সাংকেতিক
মেলামেশারা ওই, বহুবর্ণিল এক
লোমশ চাদর হয়ে ওঠে
আবেশে গাঢ় হয়ে আসে তোমার
ঘুমের আওয়াজ
বৃষ্টিদিনে
ছোট এই শহরে বৃষ্টি। একটিও ফুট ওভারব্রিজ নেই। ভর-রোদের ভাবনায় জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকা—কারও বাহুসন্ধি ঘামে ভিজে সুস্পষ্ট হয়? এইখানে মন বোঝা বড় দায়, বৃষ্টিদিনে মনমরা হয়ে থাকা! ডিসেম্বরে বৃষ্টিতে সব সবজিখেতে পানি জমে গেলে আঁশহীন খাবার ও মানসিক রোগে পর্যুদস্ত যুবকেরা আত্মহত্যা শাণিয়ে তুলছে—একটিও ফুট ওভারব্রিজ নেই এই শহরে
গ্রামে
চোখে, কণিনিকায় গাঢ় হচ্ছে লেবুঝাড়। চাঁদ দেখে গল্প। বারান্দায় দোলচেয়ারে ঘিরে তোমাকে ব্রহ্মপুত্র বয়ে যায়। নভেম্বর ও শীত উঠে আসে। ভারী ও পলকা, ছলছলে চোখের বাতানে ঘনিষ্ঠ হয় মাছ, নিভৃতচারী মাছ—
গ্রামে কুয়াশায়
অনেক ঘুমন্তর মিশে
নিশ্বাসে
ভেসে আসে আংরাখা চাঁদ
নিষ্পলক চোখের তাকায়
চতুষ্পার্শে
২.
সকাল, ছোট পাখি—
পাতাদের রাজ্য তূরীয় মনে হয়!