খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৫
আজ ভাদ্রের প্রথম দিন। আষাঢ়-শ্রাবণকে বিদায় জানিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে এসেছে শরৎ। আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর মাঠে-ঘাটে শুভ্র কাশফুলের হাসি নিয়েই যেন শরতের আগমন।
বর্ষার বৃষ্টির পরে চারপাশের প্রকৃতি যখন সবুজে ভরে ওঠে, তখন শরৎ আসে নতুন করে সবুজের সঙ্গে শুভ্রতার মিশ্রণ ঘটাতে। নদী, পুকুর, বিল-ঝিল সব কিছুই যেন নতুন করে সেজে ওঠে। এমন মন মুগ্ধ করা রূপ আর কোনো ঋতুতে খুঁজে পাওয়া যায় না।
এই সময় তাপমাত্রাও বেশ আরামদায়ক থাকে। তীব্র গরম ও প্রচণ্ড শীতের মাঝামাঝি আবহাওয়া বিরাজ করে। দিনের আলোতে হালকা রোদ আর ভোরের বাতাসে একটু শীতের পরশ, সব মিলিয়ে শরৎ এক অসাধারণ ঋতু।
অনেক কবি-সাহিত্যিক শরৎ নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার লেখায় শরৎকে উপস্থাপন করেছেন– ‘আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ, আমরা গেঁথেছি শেফালিমালা, নবীন ধানের মঞ্জরি দিয়ে সাজিয়ে এনেছি ডালা।
কবি বিনয় মজুমদার তার কবিতায় লিখেছেন– ‘শরতের দ্বিপ্রহরে সুধীর সমীর-পরে জল-ঝরা সাদা সাদা মেঘ উড়ে যায়, ভাবি, একদৃষ্টে চেয়ে, যদি ঊর্ধ্ব পথ বেয়ে শুভ্র অনাসক্ত প্রাণ অভ্র ভেদি ধায়!’
এই সময়ে বেড়াতে যেতেও বেশ ভালো লাগে। প্রকৃতিপ্রেমীরা এই সময়টাতে গ্রামের সবুজ প্রকৃতি আর নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে যান। বলা যায়, শরৎ শুধু একটি ঋতু নয়, এটি এক অনুভূতির নাম।
খবরওয়ালা/এফএস