খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 2শে আশ্বিন ১৪৩২ | ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ না হয়েও সরকারি প্রজ্ঞাপনে নাম ওঠা ৫২ জনের তথ্য পুনরায় যাচাই করছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠির সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও ৫২ জনের তালিকা সংযুক্ত করে পাঠানো হয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট জেলার জুলাই যোদ্ধা ও শহীদেরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত থেকে আহত বা নিহত হয়েছেন কি না, তা যাচাই করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১৫ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা যায়, জমির বিরোধে খুন বা দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া কিছু মানুষকেও ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে প্রজ্ঞাপনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর পরদিন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভুয়া প্রমাণিত হলে তাঁদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, শহীদদের পুরো তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে। তিনি বলেন, ‘কেবল প্রকৃত শহীদরাই তালিকায় স্থান পাবেন।’
২০২৫ সালের ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ’-এ শহীদের সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শহীদ হিসেবে গণ্য হবেন তাঁরা, যাঁরা আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন।
গত ২ আগস্ট জুলাই শহীদের তালিকা থেকে আটজনের নাম বাদ দেওয়া হয়। বর্তমানে সরকারি তালিকায় শহীদের সংখ্যা ৮৩৪। তবে এর মধ্যে ৫২ জন সংজ্ঞা অনুযায়ী শহীদের অন্তর্ভুক্ত নন বলে উঠে এসেছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।
খবরওয়ালা/এন