বুধবার, ২৪ই জুন ২০২৬, ১০শে আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ই জুন ২০২৬, ১০শে আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা আইসিসির মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মুশফিকুর রহিম সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ কারাগারে ইনু দুটি খাতায় নিয়মিত সব কার্যক্রম লিখে রাখছেন প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন: অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! আওয়ামী লীগের ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা ইউনূস সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, ভ্রমণের নামে দেশ ত্যাগের চেষ্টা অক্সফোর্ড আমন্ত্রণের নামে হাসনাত ও সাদিকের অভিনব প্রতারণা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত

আন্তর্জাতিক

সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের জেরুজালেম সফর এবং লোহিত সাগরের নতুন ভূরাজনীতি

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের জেরুজালেম সফর এবং লোহিত সাগরের নতুন ভূরাজনীতি

সোমালিল্যান্ডের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবদিরহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ‘সিরো’-র সাম্প্রতিক ইসরায়েল সফরকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের কূটনৈতিক ও কৌশলগত অঙ্গনে একটি নতুন ধারার রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানাল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক উদ্যোগের নেপথ্যে কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনই নয়, বরং লোহিত সাগর ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ইস্যু একটি প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

গত রবিবার সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ জেরুজালেমে পৌঁছান। এটি সোমালিল্যান্ডের কোনো শীর্ষ নেতার প্রথম আনুষ্ঠানিক ইসরায়েল সফর, যা দুই পক্ষের মধ্যকার সম্পর্কের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ বলেন, “আমি সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে এসেছি। বিগত ৩৫ বছর ধরে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আমাদের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দাবি করে আসছি। ইসরায়েল এবং আপনি নিজে প্রথম আমাদের এই দাবিকে মূল্যায়ন করেছেন ও স্বীকৃতি দিয়েছেন।” প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতিকে ইহুদি ইতিহাসের সঙ্গে তুলনা করে মন্তব্য করেন, “আমরাও একসময় একটি ছোট জনগোষ্ঠী হিসেবে বৈশ্বিক দরবারে নিজেদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের স্বীকৃতি চেয়েছিলাম। ফলে আপনাদের এই দীর্ঘ সংগ্রাম ও অবস্থানের প্রতি আমাদের একটি স্বাভাবিক ঐতিহাসিক সহানুভূতি রয়েছে।”

কূটনৈতিক সম্পর্ক থেকে কৌশলগত অংশীদারত্ব

প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহর এই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক ‘কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। উভয় দেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই চুক্তির আওতায় নিরাপত্তা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, আধুনিক কৃষি, স্বাস্থ্য খাত এবং আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারিত করা হবে। ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে অবস্থিত সোমালিল্যান্ড অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অবস্থানে রয়েছে। ইয়েমেনের ঠিক বিপরীতে, এডেন উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত এই অঞ্চলটি লোহিত সাগর হয়ে পরিচালিত বৈশ্বিক প্রধান নৌপথের প্রবেশদ্বারে অবস্থান করছে।

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বৈঠকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, সোমালিল্যান্ডের অবস্থান মূলত বাব আল-মান্দাব প্রণালীর সন্নিকটে, যা লোহিত সাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য পরিবহণ বাণিজ্যের জন্য এই জলপথটি জীবনরেখা হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে, গত দুই বছর ধরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে উপর্যুপরি বাধার ঘটনা ইসরায়েলের জাতীয় ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা উদ্বেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে লোহিত সাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের জন্য এই অঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম।

নিরাপত্তা সহযোগিতা ও সামরিক ঘাঁটির সম্ভাবনা

সোমালিল্যান্ড ও ইসরায়েলের এই নতুন সম্পর্কের সবচেয়ে আলোচিত ও সংবেদনশীল দিক হলো সম্ভাব্য নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার সোমালিল্যান্ড সফর করেছিলেন। সেই সময় তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, দুই দেশ একটি সুনির্দিষ্ট ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ এবং সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার লক্ষ্য নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই প্রসঙ্গে জানান যে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ‘গোপন বিভিন্ন কার্যক্রমে’ পারস্পরিক সহযোগিতা বিদ্যমান ছিল এবং বর্তমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।

সোমালিল্যান্ড ও ইসরায়েলের এই ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া নিচের ছকের মাধ্যমে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:

দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক কূটনীতির উপাদান মূল তথ্য ও কৌশলগত প্রেক্ষাপট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া
প্রধান নেতৃত্ব ও চুক্তি প্রেসিডেন্ট আবদিরহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু; কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর। নিরাপত্তা, বাণিজ্য, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন।
কৌশলগত জলপথের গুরুত্ব লোহিত সাগর এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালী (ভারত মহাসাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থল)। বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রধান নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইসরায়েলের বিশেষ আগ্রহ।
বারবেরা উপকূলীয় শহর সোভিয়েত ইউনিয়ন ও নাসা কর্তৃক ব্যবহৃত সাবেক বিমানবন্দর, যা বর্তমানে সামরিক ব্যবহারের উপযোগী। হুথিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের কৌশলগত অবস্থান হিসেবে আলোচিত।
কূটনৈতিক মিশন স্থাপন জেরুজালেমে সোমালিল্যান্ডের আনুষ্ঠানিক দূতাবাস উদ্বোধন। ফিলিস্তিন, আরব লীগ ও ওআইসি (OIC) কর্তৃক তীব্র নিন্দা প্রকাশ।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকি ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রতিক্রিয়া ও সংঘাতের আশঙ্কা। হুথিদের ঘোষণা: সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলি উপস্থিতি সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই ভূরাজনৈতিক মেরুকরণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সোমালিল্যান্ডের অন্যতম প্রধান উপকূলীয় শহর ‘বারবেরা’। এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত এই কৌশলগত শহরের বিমানবন্দরটি অতীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন নির্মাণ করেছিল এবং পরবর্তী সময়ে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ (NASA) এটি ব্যবহার করে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এই বিমানবন্দর ও এর আশেপাশের অবকাঠামোকে সম্পূর্ণ সামরিক ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন যে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দূরপাল্লার সম্ভাব্য সামরিক অভিযান পরিচালনার সুবিধার্থে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডের এই বারবেরা অঞ্চলে নিজস্ব সামরিক স্থাপনা বা ঘাঁটি তৈরি করতে গভীরভাবে আগ্রহী।

তবে সোমালিল্যান্ডের প্রশাসন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের বিষয়ে এখনই স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রদান করেনি। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘আই২৪’ (i24)-কে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিরহমান আবদুল্লাহ বলেন যে, বর্তমানে সরাসরি কোনো সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তাদের নেই। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সামরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি বলেন, “আমি ভবিষ্যতের এই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি উড়িয়ে দিতে পারছি না।”

সোমালিয়ার তীব্র উদ্বেগ ও অভ্যন্তরীণ বিতর্ক

সোমালিল্যান্ডের এই কূটনৈতিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার। সোমালিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী ওমর এই বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন যে, তাদের সবচেয়ে বড় আশঙ্কা হলো—এই চুক্তির মাধ্যমে সোমালিল্যান্ড মূলত ইসরায়েলের আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক সংঘাতের একটি নতুন ক্ষেত্রে পরিণত হতে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “এই ধরনের আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ এমন একটি অঞ্চলে নতুন করে সশস্ত্র সংঘাতের সূত্রপাত করতে পারে, যা ইতোমধ্যেই দীর্ঘকাল ধরে নানাবিধ অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক সমস্যার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে।” সোমালিয়া সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা সোমালিল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ সংকট নিরসনে দ্বিপাক্ষিক সংলাপের জন্য সর্বদা প্রস্তুত, তবে দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে সোমালিয়ায় ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সোমালিল্যান্ড একতরফাভাবে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও জাতিসংঘের অধিকাংশ সদস্য রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক সংস্থা এটিকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে ইসরায়েলের এই নতুন স্বীকৃতি দীর্ঘদিনের এই আঞ্চলিক বিরোধকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি নতুন মাত্রায় রূপ দিল।

এই সফরের অন্যতম বিতর্কিত অংশ ছিল জেরুজালেমে সোমালিল্যান্ডের আনুষ্ঠানিক দূতাবাস চালু করা। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সারের উপস্থিতিতে এই দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়। জেরুজালেমের মালিকানা ও পবিত্রতা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ থাকার কারণে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ তাদের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিব শহরে কার্যকর রাখে। সমগ্র জেরুজালেমের ওপর ইসরায়েলের একক সার্বভৌমত্বের দাবি আন্তর্জাতিকভাবে এখনো সর্বজনীন স্বীকৃতি পায়নি। ফলস্বরূপ, জেরুজালেমে সোমালিল্যান্ডের এই দূতাবাস খোলার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ, আরব লীগ এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থাসহ (ওআইসি) বিশ্বের একাধিক মুসলিম প্রধান দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।

দক্ষিণ আফ্রিকাভিত্তিক নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট ফর সিকিউরিটি স্টাডিজ’-এর জ্যেষ্ঠ গবেষক মোসেস ক্রিসপাস ওকেলো এই কৌশলগত চালের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “ইসরায়েলের প্রকৃত ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য শুধু সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন নয়, বরং লোহিত সাগরের ভৌগোলিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।” তাঁর মতে, ইসরায়েল বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় আঞ্চলিকভাবে এক ধরনের একাকীত্ব ও বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হচ্ছে। তাই সোমালিল্যান্ডের মতো একটি কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিকটবর্তী অঞ্চলের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা তাদের ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী সুযোগ।

এই চুক্তিকে কেন্দ্র করে খোদ সোমালিল্যান্ডের অভ্যন্তরেও রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। সোমালিল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুসে বিহি আবদি বর্তমান সরকারকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পাদিত এই কৌশলগত চুক্তির যাবতীয় গোপন শর্ত ও বিস্তারিত বিবরণ জনগণের সামনে প্রকাশ করার জোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে সোমালিল্যান্ডকে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো আঞ্চলিক সামরিক সংঘাতের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। তিনি দেশের আইনি কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমাদের জাতীয় সংবিধান এমন কোনো পদক্ষেপ বা আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন করে না, যা সামগ্রিকভাবে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ক্ষতি সাধন করে কিংবা আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী হিসেবে গণ্য হয়।” দেশের শীর্ষস্থানীয় ইসলামি আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের মধ্যেও এই বিষয়ে তীব্র মতভেদ দেখা দিয়েছে; এক পক্ষ সরকারের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে এটিকে সমর্থন করলেও, অপর পক্ষ ধর্মীয় ও কৌশলগত কারণে এর কঠোর সমালোচনা করছে।

আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ ভূরাজনীতি

সোমালিল্যান্ডের নীতিনির্ধারকরা আশা করেছিলেন যে, ইসরায়েলের এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পথ ধরে পশ্চিমা বিশ্বের আরও কয়েকটি প্রভাবশালী রাষ্ট্র তাদের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেবে। তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো দেশ এই বিষয়ে নতুন কোনো কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অন্যদিকে সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসর, আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU), ওআইসি এবং আরব লীগ ইসরায়েলের এই একতরফা পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে এ অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা এই বিষয়ে সবচেয়ে কঠোর ও হুঙ্কারপূর্ণ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। তাদের সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, সোমালিল্যান্ডের মাটিতে বা উপকূলে যদি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কোনো ধরনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপস্থিতি ঘটে, তবে সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলকে তারা তাদের বৈধ ‘সামরিক লক্ষ্যবস্তু’ (Military Target) হিসেবে বিবেচনা করবে এবং সেখানে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হবে।

তবে এই সমস্ত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামরিক ঝুঁকি সত্ত্বেও সোমালিল্যান্ডের শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়েছে যে, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের চূড়ান্ত স্বীকৃতি ও মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে তারা যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘চ্যাথাম হাউস’-এর মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক প্রখ্যাত বিশ্লেষক ইয়োসি মেকেলবার্গ এই জটিল সম্পর্কের সমীকরণ টেনে বলেন, “এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সাময়িকভাবে দুই পক্ষকেই কিছু কৌশলগত সুবিধা প্রদান করবে, তবে এটি তাদের অভ্যন্তরীণ ও মূল সংকটের স্থায়ী কোনো সমাধান করতে পারবে না। ইসরায়েল মূলত ফিলিস্তিন ইস্যু থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ সরিয়ে আফ্রিকার অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে, আর সোমালিল্যান্ডও এই একক সম্পর্ক থেকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের ক্ষেত্রে বাস্তবতার চেয়ে অনেক বেশি প্রত্যাশা করছে।”